- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- এপ্রিল ২০, ২০২৬
বিপুল সংখ্যক কর্মীকে গ্রেফতার করতে পারে নির্বাচন কমিশন, হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল
রাজ্যে ৮০০ তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করাতে পারে নির্বাচন কমিশন, এমন আশঙ্কা রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের। এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল। সোমবার, প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতিরা।
এদিন, তৃণমূল কর্মীদের তরফে তৃণমূল সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, জাতীয় নির্বাচন কমিশন পুলিশের মাধ্যমে বিধানসভার প্রতিটি ক্ষেত্র থেকে প্রায় ৮০০ তৃণমূল কর্মীর নাম নিয়েছে। আমরা তাঁদের গ্রেফতারির আশঙ্কা করছি। অবিলম্বে আদালত এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক। তৃণমূলের তরফে এ বিষয়ে দ্রুত মামলা দায়েরের অনুমতি ও দ্রুত শুনানির আবেদন করা হয়েছে। মামলা দায়ের করার অনুমতির পর, আগামী বুধবার শুনানির ইঙ্গিত দিয়েছে আদালত।
গত কয়েক দিন ধরে ভোট প্রচারে গিয়ে বার বার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তৃণমূলের লোকজনকে গ্রেফতারের চক্রান্ত চলছে। তৃণমূলের এজেন্টদের ভোটের মুখে আটকের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সে কারণে সমান্তরাল মেশিনারি বা বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি রাখতেও নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। এ দিকে অবাধ নির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যেই ২ লক্ষের বেশি ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। যাঁদের আটক করা হয়েছে, তাঁদের সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী হিসেবেই আটক করেছে প্রশাসন। এত জনকে আটক করার ঘটনা কার্যত নজিরবিহীন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এখানেই শেষ নয়। প্রথম দফা নির্বাচনের আগে এক রাতে ১৩৫ জন দাগি অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে কমিশনের নির্দেশে। কোচবিহার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদা, মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের। কোন কোন থানায়, কাদের নাম দাগি হিসেবে চিহ্নিত, তার খোঁজ চালানোর পরেই এমন নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বাংলার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন জ্ঞানেশ কুমার।
❤ Support Us






