- দে । শ
- জুন ১৮, ২০২৬
জেলা সভাপতি পদে ইস্তফা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে চিঠি রবীন্দ্রনাথের
রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের সাংগঠনিক রদবদলে দলের পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি পদে রেখে দেওয়া হয়েছে কাটোয়ার সদ্য প্রাক্তন বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জিকে। এই খবর জেনেই রবীন্দ্রনাথবাবু অব্যাহতি চেয়ে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে ই-মেল মারফত পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিলেন।
২০২১ সালের ৯ অগস্ট থেকে তৃণমূলের পূর্ব বর্ধমান জেলার সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন কাটোয়ার টানা ৬ বারের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথবাবু। এবার নিয়ে তাঁকে টানা তৃতীয়বারের জন্য জেলা সভাপতি করা হয়েছিল। প্রবীণ এই নেতা একাধিক শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত। তাই জেলা সভাপতির মত সাংগঠনিক স্তরের গুরুদায়িত্ব পালন করতে পারবেন না বলে ই-মেল মারফত রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে জানিয়ে দিলেন। ওই ই-মেলটিকেই তাঁর আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র হিসেবে গ্রহণ করার আবেদনও জানিয়েছেন রবীন্দ্রনাথবাবু।
রবীন্দ্রনাথবাবুর পদত্যাগপত্র ঘিরে পূর্ব বর্ধমান জেলাজুড়ে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। জেলা সভাপতি হিসেবে তৃণমূলের সংগঠনকে খুবই বলিষ্ঠ করে তুলেছিলেন পোড় খাওয়া এই রাজনীতিক। ২১২১-র বিধানসভা ও পরবর্তী পুরসভা, পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে রবীন্দ্রনাথবাবুর নেতৃত্বে পূর্ব বর্ধমান জেলাজুড়ে ঘাসফুলের জয়জয়কার হয়। তবে এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের ভরিডুবি হয়। রবীন্দ্রনাথবাবু নিজে ৩৫ হাজারেরও বেশি ভোটে হেরে যান। বছর দুয়েক ধরেই শরীর তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছিল না। বারেবারেই অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন তিনি। দলের কঠিন সময়ে জেলা সভাপতি হিসেবে যে সময় ও শ্রম দেওয়া দরকার, তা তিনি দিতে পারবেন না বলেই অব্যাহতি চেয়েছেন বলে সূত্রের খবর। নতুন সভাপতির দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। ফের দলের প্রতিষ্ঠা লগ্নের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথকে ফেরানো হবে, নাকি নতুন কোনও মুখ আনা হবে, তাই নিয়েই চর্চা শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে। আবার রবীন্দ্রনাথবাবুকে বুঝিয়েসুজিয়ে সভাপতি পদে রাখা হবে কিনা, সে বিষয়েও আলোচনা চলছে।
❤ Support Us





