- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- অক্টোবর ১, ২০২৬
‘এসআইআর’-এ আবেদনের পাহাড়, এর মধ্যেই ট্রাইবুন্যাল থেকে ইস্তফা আরও এক প্রাক্তন বিচারপতির, নেপথ্যে কী কারণ ?
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা ‘এসআইআর’ ঘিরে বিতর্কের শেষ নেই। রাজনৈতিক অভিযোগ, কমিশনের অন্দরে দ্বন্দ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম যে বিষয়ে আলোচনা হয় তা হলো, বাদ পড়া লক্ষ লক্ষ মানুষের বর্তমানের উদ্বেগ আর ভবিষ্যতের আশঙ্কা। প্রশ্ন যেখানে নাগরিকের নাগরিকত্ব, মৌলিক অধিকার; সেখানে ‘ট্রাইব্যুনাল’-এর স্লথ গতি বিতর্ক আরও তীব্র করে তুলছে। ‘এসআইআর’-পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বড়ো প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্রাইব্যুনালে জমে থাকা আবেদনের পাহাড় ঘিরে। নির্বাচন কমিশনের সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম বাদ পড়া বা অন্তর্ভুক্তির বিরুদ্ধে মোট ৩৮.৩১ লক্ষেরও বেশি আপিল জমা পড়েছে। তার মধ্যে প্রায় ২২.২১ লক্ষ আবেদন এসেছে বাদ পড়া ভোটারদের তরফে নাম পুনর্বহালের দাবিতে, আর প্রায় ১৬.১০ লক্ষ আপিল হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে। কিন্তু নিষ্পত্তির গতি তার তুলনায় অত্যন্ত কম — প্রায় ১.২৬ লক্ষ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে, এখনো ঝুলে রয়েছে ৩৭.০৫ লক্ষের বেশি আবেদন।
বিপুল কাজ সামলাতে প্রথমে ১৯টি এক-সদস্যের আপিল ট্রাইব্যুনাল গড়া হয়েছিল, প্রতিটির দায়িত্বে ছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। তবে এর মধ্যেই কয়েক জন বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ বা অন্যান্য অসুবিধার কথা জানিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন। এরই মধ্যে সম্প্রতি প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও সল্টলেক থেকে জোকা পর্যন্ত দীর্ঘ ও যানজটপূর্ণ যাতায়াতের সমস্যার কথা জানিয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। কমিশনও স্বীকার করেছে যে বর্তমান ১৯টি ট্রাইব্যুনাল দিয়ে এত বিপুল আবেদন সামলানো কঠিন এবং সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে—প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য একটি করে ট্রাইব্যুনালের ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বিচারপতিদের বাড়ি থেকে শুনানি বা কাজের সুযোগ দেওয়ার কথাও কমিশন জানিয়েছে।
প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায় ট্রাইব্যুনালের কাজ থেকে অব্যহতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির দফতরে চিঠি দিয়েছেন বলে। তাঁর বক্তব্য, পাইলট কার নিয়েও সল্টলেক থেকে জোকায় পৌঁছতে অনেক সময় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যাতায়াতে সময় আরও বাড়ছে। ফলে ট্রাইব্যুনালে বসে যতটা সময় কাজ করার কথা, তার বড়ো অংশই চলে যাচ্ছে পথে। দীর্ঘ দিন ধরে এই ভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলেই অব্যাহতি চেয়েছেন তিনি। তবে ট্রাইব্যুনালের কাজ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের সঙ্গে একটি বিকল্প পথও জানিয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি। তাঁর ট্রাইব্যুনালের শুনানি কেন্দ্র যদি সল্টলেক বা তার আশপাশে সরিয়ে আনা যায়, কিংবা বাড়ির কাছাকাছি কোনো জায়গা থেকে তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়, তা হলে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বিবেচনা করতে পারেন। অর্থাৎ কাজ নিয়ে তাঁর আপত্তি নেই; আপত্তি মূলত প্রতিদিনের দীর্ঘ এবং সমস্যাসঙ্কুল যাতায়াত নিয়ে।
বিচারপতি চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি সল্টলেকে। ‘এসআইআর’-পরবর্তী পর্যায়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের আবেদন এবং আপিল বিবেচনার জন্য যে ট্রাইব্যুনালগুলি তৈরি হয়েছে, তার একটি রয়েছে জোকায়। সেখানেই নিয়মিত শুনানি করছেন তিনি। চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, বাড়ি থেকে জোকা পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ২৭ কিলোমিটার। কিন্তু কলকাতার যানজট আর রাস্তার পরিস্থিতির কারণে ওই দূরত্ব অতিক্রম করতেই দীর্ঘ সময় লেগে যাচ্ছে। ফেরার পথে সময় আরও বেশি লাগছে বলে তাঁর অভিযোগ। তবে শুধু যানজট নয়, রাস্তার অবস্থাও তাঁর সমস্যার অন্যতম কারণ বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি। খানা-খন্দে ভরা রাস্তা দিয়ে দীর্ঘ পথ যাতায়াত করতে গিয়ে শারীরিক ভাবে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। নিরাপত্তারক্ষীরা সঙ্গে থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় যানজট কাটিয়ে দ্রুত এগোনো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ট্রাইব্যুনালে পৌঁছনোর পরও পর্যাপ্ত সময় হাতে থাকছে না। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে আবেদনের নিষ্পত্তির সংখ্যায়।
প্রথম দিকে অবশ্য এমনটা হবে বলে ভাবেননি প্রাক্তন বিচারপতি। তাঁর ধারণা ছিল, দুই-তিন মাসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের কাজ অনেকটাই শেষ হয়ে যাবে। সে কারণে কয়েক দিন বা কয়েক মাস যাতায়াতের সমস্যা হলেও তা মেনে নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু পরে পরিস্থিতি দেখে তাঁর ধারণা বদলায়। আবেদনের সংখ্যা যে বিপুল, তা ক্রমশ স্পষ্ট হয়। ফলে গোটা প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হবে বুঝতে পেরে তিনি মনে করেন, বছরের পর বছর এ ভাবে সল্টলেক থেকে জোকা যাতায়াত করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। আর সে জায়গা থেকেই প্রধান বিচারপতির কাছে অব্যাহতির আবেদন। তবে বাড়ির কাছাকাছি বসে কাজের ব্যবস্থা করা গেলে তিনি দায়িত্ব চালিয়ে যেতে পারেন — চিঠিতে সে সম্ভাবনাও খোলা রেখেছেন তিনি।
এদিকে, ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ট্রাইব্যুনালের সামনে যে পরিমাণ কাজ রয়েছে, তাতেও সমস্যার গভীরতা স্পষ্ট। সূত্রের খবর, তাঁর ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন আপিলের সংখ্যা প্রায় ৫ লক্ষ ৩০ হাজার। বর্তমানে যে পরিমাণ সময় তিনি শুনানির জন্য পাচ্ছেন, তাতে দিনে দশটির বেশি আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না। এ গতিতে কাজ চললে সমস্ত আবেদন নিষ্পত্তি করতে যে বিপুল সময় প্রয়োজন হবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। এ হিসাব থেকেই উঠে আসছে প্রায় ১৪৫ বছরের একটি পরিসংখ্যান। বর্তমান হারে আবেদন নিষ্পত্তি চলতে থাকলে তাঁর ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন সমস্ত আপিল নিষ্পত্তি করতে প্রায় দেড় শতাব্দী সময় লেগে যেতে পারে। অবশ্য এই হিসাব বর্তমান কাজের গতি অপরিবর্তিত থাকার ভিত্তিতে করা। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা, বিচারকের সংখ্যা বা নিষ্পত্তির হার বাড়লে ছবিটিও বদলাবে।
নিজের ট্রাইব্যুনালের কাজের পরিসংখ্যানও জানিয়েছেন বিচারপতি চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, এ পর্যন্ত তিনি ৪২৫টি আপিলের নিষ্পত্তি করেছেন। তার মধ্যে ৩৫০ জন আবেদনকারীর নাম ভোটার তালিকায় পুনর্বহাল করা হয়েছে। ৭৫ জনের আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। অর্থাৎ তাঁর নিষ্পত্তি করা আবেদনগুলির বড়ো অংশেই আবেদনকারীদের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিচারপতি চট্টোপাধ্যায়ের ট্রাইব্যুনালে মূলত মুর্শিদাবাদ জেলার বাদ পড়া ভোটারদের আবেদন বিবেচনা করা হচ্ছে। মুর্শিদাবাদে ‘এসআইআর’-এ বাদ পড়া ভোটারদের আবেদন দেখার জন্য দু–টি ট্রাইব্যুনালের ব্যবস্থা রয়েছে। বিচারপতি চট্টোপাধ্যায় জেলার ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের আবেদন দেখছেন। বাকি ১১টি কেন্দ্রের দায়িত্বে রয়েছেন কলকাতা হাই কোর্টের আর এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।
রাজ্যে ‘এসআইআর’-পরবর্তী সময়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের আপিল বিবেচনার জন্য জোকায় একাধিক ট্রাইব্যুনাল চালু হয়েছে। মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে মূলত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিপুল সংখ্যক আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করাই এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য। কিন্তু আবেদনকারীর সংখ্যা এত বেশি যে, সেই কাজ সামলাতে গিয়ে ট্রাইব্যুনালগুলির উপর যথেষ্ট চাপ তৈরি হয়েছে। প্রতিটি ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজার হাজার, কোথাও তারও বেশি আবেদন জমে রয়েছে। ফলে শুনানি এবং নিষ্পত্তির গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। ট্রাইব্যুনালে বিচারকের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিও উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে একটি ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি দীর্ঘ যাতায়াতের সমস্যার কারণে অব্যাহতি চাইলে বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে। কারণ একজন বিচারপতি দায়িত্ব থেকে সরে গেলে তাঁর হাতে থাকা মামলাগুলির পরবর্তী ব্যবস্থা কী হবে, নতুন করে দায়িত্ব বণ্টন করা হবে কি না, কিংবা অন্য ট্রাইব্যুনালের উপর সেই অতিরিক্ত চাপ পড়বে কি না — সে প্রশ্নও সামনে আসছে। ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রক্রিয়াটিও আদালতকেন্দ্রিক। আবেদন বিবেচনার জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর কলকাতা হাই কোর্ট প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করেছিল। ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিয়োগও হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির দপ্তরের মাধ্যমে হয়েছে। ফলে বিচারকসংখ্যা বা ট্রাইব্যুনালের পরিকাঠামো বাড়ানোর মতো বিষয়ে হাই কোর্টের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রসঙ্গত, ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের আগে কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমও ‘এসআইআর’ ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। ফলে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দিয়ে এই বিপুল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির যে ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, তার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। যদিও দুই ক্ষেত্রে কারণ এক নয়। ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে প্রধান কারণ হিসাবে সামনে এসেছে দীর্ঘ যাতায়াত, যানজট ও রাস্তার বেহাল দশা। তিনি নিজেই বিকল্প ব্যবস্থা হলে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। ফলে তাঁর আবেদনটি সম্পূর্ণ ভাবে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের চেয়ে কাজের পরিকাঠামো ও অবস্থান পরিবর্তনের আবেদন হিসাবেও দেখা যেতে পারে।
অন্যদিকে, ভোটারদের আবেদন নিষ্পত্তির বিষয়টি ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে। সে প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার চাপ রয়েছে। এমন সময়ে একটি ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি যদি দীর্ঘ যাতায়াতের সমস্যার কারণে অব্যাহতি চান, তা হলে গোটা ব্যবস্থার পরিকাঠামো এবং কর্মপদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। সূত্রের খবর, বিচারপতি চট্টোপাধ্যায়ের অব্যাহতির সিদ্ধান্ত আগামী ২ নভেম্বর থেকে কার্যকর হতে পারে। তার আগে প্রধান বিচারপতির দপ্তর তাঁর চিঠির ভিত্তিতে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই এখন দেখার।
উল্লেখ্য, ‘এসআইআর’ ঘিরে শুরু থেকেই বিতর্ক কম নয়। প্রথমত, ‘এসআইআর’-এ ২৭.১৬ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়া এবং তার পরে তাঁদের মধ্যে প্রায় ২২ লক্ষের আপিল করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দ্বিতীয়ত, মোট ৩৮ লক্ষের বেশি আপিলের মধ্যে কতগুলি বাদ পড়া ভোটার নিজের নাম ফেরানোর জন্য এবং কতগুলি অন্যের নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতায় — এ বিভাজন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য নিয়েই সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন উঠেছে। তৃতীয়ত, নিষ্পত্তির ধীর গতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে — বর্তমান হারে কাজ চললে সমস্ত আপিল নিষ্পত্তিতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে কমিশনের হিসাব সামনে এসেছে। অন্যদিকে নির্বাচনের কমিশনের অন্দরেই বিদ্রোহের সুর। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘ভোটচুরি’-র অভিযোগ এনে তাঁর ইস্তফার দাবি তুলেছে বিরোধীরা। প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ‘ইন্ডিয়া জোট’ ও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। ফলে ‘এসআইআর’-এর বিতর্ক এখন শুধু ভোটার তালিকায় কার নাম থাকল বা বাদ গেল, সে প্রশ্নেই আটকে নেই। গোটা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
❤ Support Us







