Advertisement
  • দে । শ
  • অক্টোবর ৮, ২০২৬

খরচ বেড়েছে উপকরণের অথচ বায়না নেই প্রতিমার, হতাশ মৃৎশিল্পীরা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
খরচ বেড়েছে উপকরণের অথচ বায়না নেই প্রতিমার, হতাশ মৃৎশিল্পীরা

কারখানায় কারখানায় প্রায় প্রস্তুত সার সার দুর্গামূর্তি। কিন্তু খরিদ্দারদের তেমন সাড়া মিলছে না। কাটোয়া ও কালনার ‘কুমোরটুলি’গুলিতে তাই হতাশা ছড়াচ্ছে। ‘এত খরচ-খরচা করে ঠাকুর গড়ে শেষমেশ ন’কড়া-ছ’কড়ায় বেচতে হবে না তো!’ এই প্রশ্নই মৃৎশিল্পীদের মুখে মুখে। অনেকে তাই প্রতিমার গায়ে এখনও রঙের পোচ দেননি। অনেকে শুধু খড়ি বুলিয়েই রেখে দিয়েছেন। শিল্পীদের আশা, দু-দিন বাদেই বায়না নিয়ে ছুটে আসবেন পুজো উদ্যোক্তারা।

উল্লেখ্য যে, আর্থিক অনুদানের প্রয়োজন বুঝে দুর্গাপুজোর অনুদান দেওয়ার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিকেই তাকিয়ে বারোয়ারি পুজো কমিটিগুলি। ২০২০ সাল থেকে পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া শুরু হয়। সেবার পুজো কমিটিগুলিকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া। সেই পরিমাণ বাড়তে বাড়তে ২০২৫ সালে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকায় পৌঁছায়। কালনা ও কাটোয়া মহকুমার বিভিন্ন জায়গার মৃৎশিল্পীদের তৈরি দুর্গা রাজ্যের নানা প্রান্তে যায়। পুজোর মোটামুটি মাস ছয়েক আগে থেকেই ঠাকুর গড়ার কাজ শুরু হয়।

সে কাজ করতে গিয়ে এবার পদে পদে হোঁচট খেতে হয়েছে শিল্পীদের। কারণ উপকরণের দর গতবারের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। খড়ের দাম গত বছর ছিল কাহন প্রতি দেড় হাজার টাকার কাছাকাছি। এবার তা বেড়ে ৩ হাজার হয়েছে। দড়ির দাম গতবার ছিল কেজি প্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। এবার তা হয়েছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। মজুরিও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এত খরচ সত্ত্বেও দুটো পয়সা রোজগারের আশায় শিল্পীরা নিজের নিজের সাধ্যমতন ৫০ থেকে ১৫০টা প্রতিমা তৈরি করে বায়নার অপেক্ষায় বসে রয়েছেন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!