Advertisement
  • দে । শ
  • অক্টোবর ১২, ২০২৬

স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলনে পঞ্চায়েত কর্মীরা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলনে পঞ্চায়েত কর্মীরা

পঞ্চায়েতগুলিতে কর্মী সংকট থাকা সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হয় গ্রাম রোজগার সহায়ক, স্কিলড টেকনিক্যাল পার্সন ও ভিলেজ লেবেল এন্টারপ্রেনারদের। অথচ চাকরির স্থায়িত্ব, উপযুক্ত বেতন কাঠামো, সামাজিক নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষার ক্ষেত্র থেকে তারা বঞ্চিত। রাজ্যে পঞ্চায়েতে নিয়োগের আগে স্থায়ীকরণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক দাবি পূরণে পূর্ব বর্ধমান জেলাজুড়ে বিভিন্ন ব্লকে অবস্থান ও কর্মবিরতি পালন করলেন ওই অস্থায়ী কর্মীরা। ব্লক প্রশাসনকে দাবি সম্বলিত স্মারকলিপিও দেন।

কর্মসূচিতে শামিল শরিফ খান, কুন্তল মল্লিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের অধীনে ২০০৮ সাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতে আমরা কর্মরত। জেলায় ওই তিন ধরনের কর্মীর সংখ্যা সাতশর কাছাকাছি। গোটা রাজ্যে এই সংখ্যাটা ১২ হাজারেরও বেশি। দেশের অন্যান্য রাজ্যে এই সকল পদে স্থায়ীকরণ, নির্দিষ্ট বেতন স্কেল ও সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকারের সুযোগ থাকলেও ১৫ বছর ধরে শাসনক্ষমতায় থাকা তৃণমূল সরকার এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। বছর দশেক আগে ভিএলই বা ভিলেজ লেভেল এন্টারপ্রেনাররা মাসে ১০,৭০০ টাকা, জিআর এস বা রোজগার সহায়করা মাসে ১২,৮৭৭ টাকা ও এসটিপি বা স্কিল টেকনিক্যাল পার্সনরা মাসে ১৫ হাজার টাকা মাইনে পেতেন। তারপর আর একটা পয়সাও মাইনে বাড়েনি। ওইসব কর্মীদের কাজ মূলত ভিবিজি রামজি প্রকল্পের কাজ দেখা। বাস্তবে এই কাজের পাশাপাশি তাদেরকে জনগণনা, এসআইআর, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, সেবা সেতু-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের তদারকির দায়িত্ব পালন করতে হলেও মাইনে না বাড়ায় হতাশ সকলেই। এদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছুর দর বেড়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়গুলি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনার আশ্বাস দিয়েছেন আধিকারিকরা।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!