Advertisement
  • দে । শ
  • নভেম্বর ৪, ২০২৬

সার বিক্রিতে বেনিময় নয়, ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ারি কৃষিমন্ত্রীর

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
সার বিক্রিতে বেনিময় নয়, ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ারি কৃষিমন্ত্রীর

রাসায়নিক সারের সঙ্গে কৃষকদের অণুখাদ্য কিনতে বাধ্য করা যাবে না। সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত বিক্রেতার লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করা হবে। হুঁশিয়ারি রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডলের। কাটোয়া শহরের ভারতী ভবন উচ্চবিদ্যালয়ে চলছে আরএসএসের প্রশিক্ষণ কর্মশালা। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী জানান, ‘কোথাও কোথাও রাসায়নিক সারের সঙ্গে অণুখাদ্য কিনতে জোর করা বা বাধ্য করার অভিযোগ পাচ্ছি। সারের ক্ষেত্রে প্রস্তুতকারী থেকে শুরু করে বিক্রেতা, প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট লভ্যাংশ থাকে। তারও পরে অণুখাদ্য গছিয়ে কৃষকদের গলায় বাঁশ দিতে দেওয়া হবে না।’ সেইসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী জানিয়ে দেন, ‘ঠিক হয়েছে, রবি মরশুমেও রাজ্যজুড়ে নজরদারি চালানো হবে।’ কৃষকদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রীর পরামর্শ, ‘সার কেনার সময় রসিদ নেবেন। তাহলেই বোঝা যাবে অণুখাদ্য নিতে বাধ্য করা হচ্ছে কিনা! রসিদ দেখেই অসাধু বিক্রেতাকে শনাক্ত করা যাবে। ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।’

সামনেই রবি ফসল চাষের মরশুম। গম, আলু, ডাল, কলাই বোনার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় প্রায় ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়। সিংহভাগ জমিতে জ্যোতি আলু আর বাকি জমিতে পোখরাজ ও চন্দ্রমুখী আলু চাষ হয়। চাষের জন্য কৃষকরা সার তোলা শুরু করেছেন। অভিযোগ, গত বছর ডিএপি, পটাশ ও ১০-২৬-২৬ সার নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ২০০ টাকা বেশি নেওয়ার পরও অণুখাদ্য কিনতে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠে। এবারও কিছু অসাধু সার বিক্রেতা জোর করে কৃষকদেরকে সারের সঙ্গে অণুখাদ্য কিনতে বাধ্য করছেন বলে অভিযোগ উঠছে। ওইসব বিক্রেতা ‘পুরনো অভ্যাস ছাড়তে পারছেন না’ বলে মনে করেন মন্ত্রী দুধকুমার। বলেন, ‘আমরা তো সবে সরকারে এসেছি। তবে ওসব বদ অভ্যাস বদলে যাবে। যেসব বিক্রেতা এসব করবেন, তারা বিপদে পড়বেন। আমরা অণুখাদ্যের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছি।’ এর মধ্যে মঙ্গলকোটের এক সার বিক্রেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।

কৃষকদের কথায়, ‘এমনিতে কয়েকবছর ধরেই আলু চাষ করে তেমন লাভ হচ্ছে না। এরও পরে অণুখাদ্য কিনতে হলে ডাহা লোকসান হবে।’ গত খরিফ মরশুমে জোর করে অণুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে শো-কজ করা হয় কাটোয়া মহকুমার কয়েকজন সার বিক্রেতাকে। কৃষিমন্ত্রী জানিয়ে দেন, ‘বর্তমানে রাজ্যে সারের ন্যূনতম ঘাটতি  নেই। তবে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ মন্ত্রী আরএসএসের প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগদানের পর কাটোয়ার প্রসিদ্ধ  শ্মশানকালী মন্দিরে যান।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!