- দে । শ
- মে ১৯, ২০২৬
পদ গেল, মিলল কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ! কাকলি ঘোষদস্তিদারকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা
লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের মুখ্য সচেতকের পদ হারানোর পর থেকেই রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বারাসতের সাংসদ ডা. কাকলি ঘোষদস্তিদার। ‘চার দশকের আনুগত্য’-র ইঙ্গিতপূর্ণ ফেসবুক পোস্ট ঘিরে যখন জল্পনা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়েই সামনে এল আরও এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। সূত্রের খবর, গত ১৮ মে থেকে কেন্দ্রীয় সিআইএসএফ নিরাপত্তা পাচ্ছেন তিনি। আর এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।
২০০৯ সাল থেকে টানা সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচিত মুখ। ছাত্র রাজনীতির সময় থেকেই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলয়ে ছিলেন বলে রাজনৈতিক মহলে পরিচিত। দিল্লির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্তরেও তাঁর দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা যায়।
সম্প্রতি ১৫ মে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে তৃণমূল সাংসদদের বৈঠকের পর লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরানো হয় কাকলিকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই সিদ্ধান্তের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নিজের ফেসবুক পেজে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট করেন কাকলি।
সেই পোস্টে তিনি লেখেন, “৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথ চলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।”
যদিও পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি তিনি, তবুও রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই বার্তার মধ্যে স্পষ্ট অসন্তোষের ইঙ্গিত ছিল। পোস্টটি ঘিরে শুরু হয় নানা রাজনৈতিক ব্যাখ্যা ও জল্পনা।
শুধু কাকলি নন, কয়েকদিন আগেই সামাজিক মাধ্যমে দলের ‘নিষ্ক্রিয়তা’ নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন তাঁর ছেলেও। ফলে সাংসদের সাম্প্রতিক অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও তীব্র হয়।
এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার খবর সামনে আসায় নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধী ও রাজনৈতিক মহলের একাংশ এই ঘটনাপ্রবাহকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন। যদিও এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে চাননি কাকলি ঘোষদস্তিদার। তিনি শুধু বলেন, “জানা নেই, বলতে পারব না।”
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফেও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
❤ Support Us







