Advertisement
  • দে । শ
  • জুন ১৭, ২০২৬

দিল্লি পুলিশের তৎপরতায় ভেস্তে গেল রাজধানীতে নাশকতার ছক! সীমান্তপারের জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগ সন্দেহে গ্রেফতার ৭

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
দিল্লি পুলিশের তৎপরতায় ভেস্তে গেল রাজধানীতে নাশকতার ছক! সীমান্তপারের জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগ সন্দেহে গ্রেফতার ৭

রাজধানী দিল্লিকে কেন্দ্র করে বড়ো ধরনের নাশকতার ছক কষছিল পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি চক্র, এমনই আশঙ্কা সামনে এসেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের অভিযানে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সাত সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-সমর্থিত সীমান্তপারের জঙ্গি নেটওয়ার্কের হয়ে কাজ করছিল। চক্রের কার্যকলাপ পাকিস্তান থেকেই পরিচালিত হতো, সেখান থেকে আসা নির্দেশ মেনেই তারা বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালাত বলে অভিযোগ। পুলিশের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্য, ডিজিটাল ডিভাইস-সহ একাধিক ‘রেকি-ভিডিয়ো’ উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, অস্ত্র পাচার ও মাদক সরবরাহ ছিল সম্ভাব্য নাশকতার প্রস্তুতিরই অংশ। উদ্ধার হওয়া ‘রেকি-ভিডিয়ো’গুলিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ফুটেজ রয়েছে, যেগুলিকে সম্ভাব্য টার্গেট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ। যদিও এখনো পর্যন্ত নির্দিষ্টভাবে কোনও স্থানের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্যাংস্টার থেকে জঙ্গি হয়ে ওঠা শাহজাদ ভাট্টি আর তাঁর সহযোগী আজমল গুজ্জরের নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিল ধৃত সাতজন। অভিযোগ, এ চক্র ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ‘রেকি’ বা নজরদারির কাজও করছিল। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ধৃতরা অস্ত্র পাচারকারী চক্র, সীমান্তপারের জঙ্গি সংগঠনগুলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগসূত্র হিসেবে কাজ করত। বর্তমানে তাদের আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং নেটওয়ার্কের বিস্তার খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে কোনো স্লিপার সেল সক্রিয় রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখছেন গোয়েন্দারা।

নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ‘নার্কো-টেরর’ বা মাদক পাচার এবং সন্ত্রাসবাদের আর্থিক যোগসূত্র চরম উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। তদন্তকারীদের অনুমান, মাদক পাচার থেকে প্রাপ্ত অর্থ সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপের অর্থ জোগাতে ব্যবহার করা হচ্ছিল। বর্তমানে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পাশাপাশি আরও কয়েকজন সন্দেহভাজনের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া ডিজিটাল ডিভাইসগুলির তথ্য বিশ্লেষণ করে এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে, তা জানার চেষ্টা করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।


  • Tags:
❤ Support Us
Advertisement
error: Content is protected !!