- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ৮, ২০২৬
নির্বাচনের আগে বুথফেরত সমীক্ষায় কঠোর নিষেধাজ্ঞা কমিশনের। নিয়ম ভাঙলে কঠোর শাস্তি
রাজ্য জুড়ে ভোটার তালিকার সংশোধন নিয়ে তীব্র বিতর্কের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে পুরোদমে চলছে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি। এরই মধ্যে এক্সিট পোল অর্থাৎ, বুথফেরত সমীক্ষা নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভোটের পর্ব চলা কালীন নির্দিষ্ট সময়ের আগে কোনও ভাবেই এ ধরনের কোনো সমীক্ষার ফলাফল সম্প্রচার করা যাবে না। এই নির্দেশিকা না মানলে রয়েছে কড়া শাস্তির বিধান।
নির্বাচন কমিশনের তরফে যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে তাতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, ৯ এপ্রিল সকাল ৭টা থেকে ২৯ এপ্রিল সন্ধে ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বুথফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোল করা, কিংবা বুথ ফেরত শমীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে কেরালা, অসম এবং পুদুচেরিতে। ২৩ এপ্রিল ভোট হবে তামিলনাড়ুতে। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে দুই দফায়, ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। অর্থাৎ গোটা ভোটগ্রহণ পর্বে কোনো বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ করা যাবে না। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া বজায় রাখতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বহু-দফায় ভোটের ক্ষেত্রে যাতে কোনো নির্দিষ্ট দফার বুথফেরত সমীক্ষা পরবর্তী দফার ভোটারদের মতামতে প্রভাব ফেলতে না পারে, সে উদ্দেশ্যেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
কমিশন জানিয়েছে, এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এক্সিট পোল পরিচালনা বা সম্প্রচার করা মানে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৬-এ অর্থাৎ Section 126A ধারার সরাসরি লঙ্ঘন করা। এই নির্দেশিকা অমান্য করলে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা, বা উভয়ই হতে পারে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচার পর্ব শেষ করতে হয়। এ ৪৮ ঘণ্টাকে বলে ‘সায়লেন্স পিরিয়েড’। মঙ্গলবার সন্ধে ৬টা থেকে কেরালা ও পুদুচেরিতে এবং অসমে বিকেল ৫টা থেকে এই পর্ব শুরু হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে কয়েকজন কর্মী ও প্রার্থীর প্রচার ছাড়া সব ধরনের প্রচার এই সময়ে বন্ধ থাকার কথা। তবে ডিজিটাল যুগে এই নিয়ম কতটা মান্যতা পাবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সংশয় প্রকাশ করেছেন।
❤ Support Us






