- এই মুহূর্তে স | হ | জ | পা | ঠ
- অক্টোবর ৭, ২০২৫
চন্দ্রপৃষ্ঠে ৫০ হাজার বছরের প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন, অনুসন্ধানে ভারতের অভিযান
নাসা-র ছবি ও তথ্যে চাঁদে কোনো সভ্যতার অস্তিত্ব ধরা না গেলেও এক বিজ্ঞানীর দাবি অনুযায়ী চাঁদে মানুষের প্রাচীন বসতি ছিল। লেখক ও ভূতত্ত্ববিদ গ্রেগ ব্রাডেন সম্প্রতি একটি আলোচনায় জানিয়েছেন, চাঁদে এখনো রয়েছে ৫০,০০০ বছর আগে সেখানে বসবাস করা মানুষের সভ্যতার নিদর্শন। ব্রাডেন বলেন, ‘এরা আমাদেরই, আমাদের অতীতের এক সময়ের মানুষ। আমরা একে অপরকে যুদ্ধের মাধ্যমে ধ্বংস করেছি, আর সে ইতিহাসই আবার আমরা পুনরায় তৈরি করছি।’ তাঁর মতে যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর আগে এই সভ্যতার প্রমাণ পেয়েছিল, কিন্তু তা গোপন রাখা হয়েছে। তবে এখন ভারত ও চিনের আসন্ন চন্দ্র অভিযান এসব রহস্য উদঘাটন করবে। চিনের চাং এ-৭ মিশন ২০২৬ সালে এবং ভারতের চন্দ্রযান-৪ মিশন ২০২৭ সালে উৎক্ষেপণ করা হবে। উভয় মিশনে রোবোটিক ল্যান্ডার এবং রোভার থাকবে, যা হাজার বছরের পুরনো স্থাপত্য আবিষ্কার করবে। ব্রাডেন বলেন, ‘এসব স্থাপত্যে এমন ভাষার চিহ্ন পাওয়া যাবে, যা চাঁদে প্রাচীন মানব সভ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত।’
ব্রাডেনের দাবি, চাঁদে বসবাসকারী মানুষরা পৃথিবীর দীর্ঘকাল হারিয়ে যাওয়া সভ্যতা থেকে এসেছিল। তারা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করত এবং চাঁদ পর্যন্ত ভ্রমণ করত। তবে নিজেদের মধ্যকার যুদ্ধে তারা ধ্বংস হয়েছিল। ব্রাডেন আরো বলেন, ‘ইতিহাস প্রমাণ দিচ্ছে, আমরা একসাথে কাজ করে অসাধ্যসাধন করেছি, সভ্যতা তৈরি করেছি, কিন্তু শেষমেশ যুদ্ধে জড়িয়ে নিজেদের ধ্বংসও করেছি। সে ইতিহাসই আবার ফিরে আসতে চলেছে।’ বিজ্ঞানী যাই দাবী করুন না কেন, এ পর্যন্ত নাসা বা অন্য কোনো মহাকাশ সংস্থা এ ধরনের কোনো স্থাপত্য বা লিপি শনাক্ত করেনি। নাসা-এর লুনার স্যাম্পল কমপেন্ডিয়াম এবং চাঁদের উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ছবিতে এখনো পর্যন্ত কোনো কৃত্রিম গঠন পাওয়া যায়নি। তবে ব্রাডেন দাবি করেছেন, নাসা-এর ক্লেমেন্টিন মিশনের ছবিতে ৯০ ডিগ্রির কোণযুক্ত কিছু গঠন দেখা গেছে, যা প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন। তাঁর দাবি, ১৯৬৯ সালের অ্যাপোলো ১১ অভিযানে নভোচারীরা চাঁদের দূরবর্তী পাশে একটি ধাতব স্থাপনা দেখেছিলেন। ‘সে সময় রেডিও সম্প্রচার হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। নভোচারীরা কিছু দেখেছিল যা আজও অজানা’। চাঁদে এমন প্রাচীন সভ্যতার উপস্থিতি সত্যি কি না, তা এখনো প্রমাণিত নয়। তবে ভারত ও চিনের আসন্ন মিশন সম্ভাব্য এই রহস্যের জবাব দেবে বলে আশাবাদী গবেষকরা।
❤ Support Us







