- এই মুহূর্তে দে । শ
- জুন ৩, ২০২৬
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রধান পরামর্শদাতা হিসাবে নাম প্রস্তাব মমতার
অষ্টাদশ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পদে এসেই তিনি বুধবার বলেন, “পরিষদীয় দল একটা টিম। এটা ৫৮ জন বিধায়কের একটি টিম। এই মুহূর্তে ৫৮ বলছি কারণ ২ জন বাইরে আছেন। তবে সেটাও আপাতত।
মুখ্যসচেতক আক্রুজ্জামান। ডেপুটি লিডার শিউলি সাহা, সন্দীপন সাহা সহ ৪ জন। স্পিকারকে চিঠি দিই। হামিদুল দা ও রথীন দা চলে যান অসুস্থতার জন্য।
আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমাদের প্রধান পরামর্শদাতা হতে আবেদন করব। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অষ্টাদশ বিধানসভার দূর-দূরান্ত পর্যন্ত কোনও সম্পর্ক নেই। এই সিদ্ধান্ত যৌথ, চাপিয়ে দেওয়া নয়। হাওড়া গ্রামীণের ৯ জনের মধ্যে ৮ জন সহ দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও কলকাতা নিয়ে ২৪ জন বিরোধী বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে ছিলাম। সরকার ভুল করলে সমালোচনা, ভালো কাজ করলে প্রসংশা করব। সরকারের যে নীতি ভালো নয় তার বিরোধীতা করব। এভাবেই আমাদের টিম কাজ করবে। ১৮ জুন বিধানসভার অধিবেশন বসবে। প্রধান বিরোধী দল তৃণমূলের ৬০ জন একটি টিম হিসাবে কাজ করব। অবশ্যই সংবাদ মাধ্যমের সাহায্য নিয়ে।”
আক্রুজ্জামান বলেন, “আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আমাদের ডাকলেন গেলাম। তারপর দেখলাম দল কি ভাবে পরিষদীয় দল গঠন করতে হয় তা জানে না। হাস্যকর হলাম। তাই আমরা আমাদের মতো করে পরিষদীয় দল গঠন করলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধান পরামর্শদাতা হিসাবে থাকার জন্য আবেদন জানাব,তিনি থাকলে ভালো।”
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধান পরামর্শদাতা হিসাবে থাকতে অনুরোধ করছি। অষ্টাদশ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূর-দূরান্ত পর্যন্ত কোনও সম্পর্ক নেই। যে ৮০ জন তৃণমূল বিধায়ক জিতেছেন তাঁরাই প্রধান বিরোধী দল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই। প্রশাসনের সঙ্গে বিরোধীদের সম্পর্ক থাকবে। মিটিংয়ে যাবে। কারণ এভাবে মানুষের কাছে আমরা আমাদের দায়বদ্ধতার প্রমাণ দেব।”
ঋতব্রত আরও বলেন, “এদিন মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে যে প্রশাসনিক বৈঠক করেছেন তাতে সাগর, হাওড়া, বাগনান অঞ্চলের বিষয়ে সদর্থক আলোচনা হয়েছে। ২৮ লক্ষের বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাঠান হয়েছে সেটা ভালো কাজ।”
ঋতব্রত বলেন, “ব্যক্তি ঋতব্রত নয়, সংঘবদ্ধ মত নিয়ে আমরা চলব। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমাদের পরামর্শদাতা হতে আবেদন জানাব। আমরা সংষদীয় রীতিনীতির বাইরে কিছু বলিনি,করিনি। ৬০টি বিধানসভার আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। আমরা বৈঠক করে দরকারে ১৫ দিন অন্তর বৈঠক করব। আমি বস নই। আমি সেই ধারণায় বিশ্বাস করি না।”
❤ Support Us







