Advertisement
  • দে । শ
  • জুন ৪, ২০২৬

রাজ্যে পালাবদলের পর, আরএসএসের শিক্ষক সংগঠনে সদস্যপদ বৃদ্ধিতে জোয়ার

রাজ্যে পালাবদলের পর, আরএসএসের শিক্ষক সংগঠনে সদস্যপদ বৃদ্ধিতে জোয়ার

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত করতে সদস্য সংগ্রহে জোর দিয়েছে আরএসএসের শিক্ষক সংগঠন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ (এবিআরএসএম)। সংগঠনের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর তাদের সদস্য সংখ্যা এক ধাক্কায় প্রায় ৩০ হাজার বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সদস্যসংখ্যা প্রায় দেড় লক্ষে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করেছে সংগঠন।

এবিআরএসএম সূত্রে খবর, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে সংগঠনের প্রভাব ও বিস্তার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সদস্য হওয়ার আগ্রহ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে সংগঠনের নেতৃত্ব। কারণ, তাদের দাবি অনুযায়ী, তৃণমূল আমলে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দেওয়া কিছু ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর সংগঠনে যোগদানের চেষ্টা করছেন। সে কারণে নতুন সদস্য গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশেষ যাচাই-বাছাই বা ‘ছাঁকনি’ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা আগে বামপন্থী বা তৃণমূলপন্থী শিক্ষক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কিংবা পরিস্থিতির কারণে সেখানে থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন, তাঁদের স্বাগত জানানো হবে। তবে শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি, অনিয়ম বা বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং সক্রিয়ভাবে তৃণমূলের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের সংগঠনে স্থান দেওয়া হবে না। এবিআরএসএম বিদ্যালয় শিক্ষার রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপি প্রামাণিক বলেন, ‘ভারতের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী শিক্ষক সংগঠন হল এবিআরএসএম। পশ্চিমবঙ্গে ১৯৯২ সাল থেকে এই সংগঠন বৈভবশালী রাষ্ট্র নির্মাণের লক্ষ্যে যোগ্য নাগরিক গড়ে তোলা, ভারতীয় সংস্কৃতিভিত্তিক যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে কাজ করে চলেছে।’

তিনি আরও জানান, ‘গত বছর আমাদের সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ হাজার। এ বছর গ্রীষ্মকালীন ছুটির পর বিদ্যালয় খোলার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই সদস্য সংখ্যা ৪০ হাজারে পৌঁছে গিয়েছে। আমাদের আশা, চলতি বছরই সদস্য সংখ্যা দেড় লক্ষে পৌঁছবে।’ সংগঠনের মতে, শুধু শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের দাবি আদায় নয়, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর আলোকে শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনা, শিক্ষাঙ্গনকে রাজনৈতিক প্রভাব, দুর্নীতি, তোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্ত করাও তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। উল্লেখ্য, বর্তমানে এবিআরএসএম দেশের ২৮টি রাজ্য এবং শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয়। সংগঠনের দাবি অনুযায়ী, সারা দেশে তাদের সদস্য সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১৫ লক্ষ।


  • Tags:
❤ Support Us
Advertisement
error: Content is protected !!