Advertisement
  • দে । শ
  • জুন ৬, ২০২৬

তৃণমূলে রদবদল, ক্ষমতা হ্রাস অভিষেকের ?

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
তৃণমূলে রদবদল, ক্ষমতা হ্রাস অভিষেকের ?

ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে তৃণমূল কংগ্রেস । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৈরি তৃণমূলে এখন ভাঙনের সুর বাজছে । বারবার দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠেছে দলের সবস্তরে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল সংগঠনে বদল আনলেন তৃণমূল  সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । দেখা গেল বৈঠকে ছাঁটা হল অভিষেকের ক্ষমতা । শুক্রবার কালীঘাটে জাতীয় কার্যনির্বাহীর কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ।
তবে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদেই রয়ে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যুগ্ম জাতীয় সম্পাদক করা হয়েছে ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেনকে । অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাহায্য করবেন এই দুই দুঁদে রাজনীতিক । রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তার ফলে এবার থেকে আর কোনও সিদ্ধান্ত একা হয়তো নিতে পারবেন না ‘সেনাপতি’।
দলের রাজ্য সভাপতি হলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই পদে ছিলেন সুব্রত বক্সি। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এই পদ ছাড়তে চেয়েছিলেন সুব্রত। যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোরাজুরিতে এই পদে ছিলেন তিনি। সম্প্রতি বাড়ির শৌচালয়ে পড়ে চোট পান । শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁকে এই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আরও একবার আর্জি জানানো হয়। সেইমতো তাঁকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি জাতীয় কার্যকরী কমিটির সহ সভাপতি হিসাবে কাজ করবেন।
সাজদা আহমেদ, মমতাবালা ঠাকুর এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্য সহ সভাপতি করা হয়েছে। রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে বাবর আলি, পুলক রায়, অসীমা পাত্র, অরূপ বিশ্বাস এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এলেন। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, রানা চট্টোপাধ্যায়, বিদেশ বসু, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত, তাপস চট্টোপাধ্যায়, বসুন্ধরা গোস্বামী এবং গৌতম দেব।
যুব তৃণমূল সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সায়নী ঘোষকে । যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মধুরিমা ঠাকুর । মহিলা তৃণমূলের সভাপতি হিসাবে মালা রায়। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সভাপতি প্রিয়াঙ্কা অধিকারী। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির সভাপতি মলয় ঘটক। এই পদে ছিলেন সদ্য বিদ্রোহী ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।  হকার সংগঠনের সভাপতি করা হল মদন মিত্রকে। কৃষক সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বেচারাম মান্নাকে। খেত মজদুর সংগঠনের দায়িত্বে এলেন পূর্ণেন্দু বসু। তফসিলি জাতি ও উপজাতি সংগঠন দেখবেন বীরবাহা হাঁসদা। মুখপাত্র হিসাবে স্থির করা হয়েছে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়,মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষকে। কোষাধ্যক্ষ শুভাশিস চক্রবর্তী। রাজনৈতিক অভিজ্ঞরা বলছেন, এই পদাধিকারীদের মধ্যে কতজন সঠিক ভাবে কাজ করতে পারেন। কেননা এঁদের সবার বিরুদ্ধেই নানান অভিযোগ রয়েছে।

  • Tags:
❤ Support Us
Advertisement
error: Content is protected !!