Advertisement
  • দে । শ
  • মে ২৭, ২০২৬

ভারী যানে কাঁপছে বাড়ি, বাড়ছে অসুস্থতা, বাঁচানোর আর্জি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ বৃদ্ধ দম্পতি

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ভারী যানে কাঁপছে বাড়ি, বাড়ছে অসুস্থতা, বাঁচানোর আর্জি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ বৃদ্ধ দম্পতি

আমাদের বাঁচান। এমন আর্তির প্ল্যাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে ঠা ঠা রোডে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের আশায় বৃদ্ধ দম্পতি। কালনার মধুপুরের কাশীনাথ চ্যাটার্জি তাঁর স্ত্রী অণিমাকে নিয়ে কালনার মহকুমাশাসকের অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে এসে জানালেন, ‘গরমে মরি মরব। সমস্যার হিল্লে না হওয়া পর্যন্ত বাড়ি ফিরব না।’ মধুপুরের কালনা-বর্ধমান রাজ্য সড়ক লাগোয়া এলাকায় বাড়ি দম্পতির। বাড়ির গায়েই রাস্তার উপরে রয়েছে একটি বড়সড় স্পিড ব্রেকার (হাম্প)। দিন-রাত ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে গোটা বাড়ি কেঁপে উঠছে। তৈরি হয়েছে বড় বড় ফাটলও। পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে জেলাশাসক পর্যন্ত প্রশাসনের সকল স্তরে বারবার ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েও ফল মেলেনি। বাধ্য হয়েই এদিন কালনার মহকুমাশাসকের দপ্তরের সামনে দাঁড়িয়ে ‘জীবন-মরণ সমস্যা’ তুলে ধরলেন বৃদ্ধ দম্পতি।

জানা গেল, রোজ সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রচুর ভারী যানবাহন দম্পতির বাড়ি লাগোয়া রাস্তার হাম্পের উপর দিয়ে যাতায়াত করার সময় তীব্র শব্দ হয়। কেঁপে ওঠে গোটা বাড়ি। দম্পতির অভিযোগ, এর ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বাড়ির বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। ঘুমের সমস্যা হচ্ছে। সারাক্ষণ শব্দ ও কম্পনের ফলে শারীরিক ও মানসিক অবস্থারও অবনতি হচ্ছে। বলেন, ‘আগেও প্রশাসনকে জানিয়েছি। প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলেও তা কার্যকর হয়নি। আজও মহকুমাশাসকের দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিলাম।’ বাড়ির যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তারজন্য ক্ষতিপূরণেরও দাবি দম্পতির। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পেলে তাঁরা অন্যত্র বাড়ি করতে পারবেন।  মহকুমা প্রশাসন সূত্রের খবর, আবেদনটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। মহকুমাশাসক অহিনসা জৈন বিষয়টি সম্পর্কে পূর্ত দপ্তরের কাছ থেকে লিখিত রিপোর্ট চেয়েছেন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!