Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুলাই ৪, ২০২৬

তৃণমূলের রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
তৃণমূলের রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, গত ৩ জুন তাঁকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তা থেকে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়াচ্ছেন। একই সঙ্গে তৃণমূল এবং তার বিভিন্ন শাখা সংগঠনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলিতে সিগনেটরির দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি চেয়েছেন তিনি।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য নির্বাচন কমিশনে তৃণমূলের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্বেও ছিলেন। সেই দায়িত্ব থেকেও তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, কারণ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের একটি ‘বিদ্রোহী’ গোষ্ঠীতে চন্দ্রিমার পুত্র সৌরভ বসু যোগ দিয়েছেন। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, পুত্র যখন বিরোধী শিবিরে নাম লিখিয়েছেন, তখন মা কতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে থাকবেন।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার চিঠি দিয়ে সমস্ত পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
এই বিষয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগে দলকে তিনি একটি “প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি”-র মতো পরিচালনা করা হত, যেখানে সামান্য ভুলেও কঠোর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যেত। তাঁর দাবি, সেই সংস্কৃতি এখন বদলেছে, তাই অনেকেই সেই ধরনের পরিবেশ থেকে দূরে থাকতে চাইছেন।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের তৃণমূল ছাড়ার পর বলেন, ৩ জুলাই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সঙ্গে ‘আসল তৃণমূল’ যখন মেট্রোপলিটান-এর তৃণমূল ভববনের দখল নিতে যান তখন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য তৃণমূলের ওই দফতরে ছিলেন। ঋতব্রতরা তৃণমূল ভবনের দখল নেওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চন্দ্রিমাকে ফোন করে বলেন তুমি ঠকতে কি ভাবে তৃণমূল দফতরের দখল নিতে পারলো ?তুমিই দলীয় দফতর ওদের হাতে তুলে দিলে। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এই কথা সাংবাদিকদের জানিয়ে বলেন, আর পর আমার মনে হয়েছে আমার আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাই আমি দলের পদ ছেড়ে দিলাম। ব্যাঙ্ক-এ দলের টাকা তোলার দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি দিয়েছেন বলে জানান। দল ছাড়ার পরই চন্দ্রিমা তাঁর পুত্র সৌরভ ভট্টাচার্যকে নিয়ে গাড়ি করে বিধানসভায় প্রবেশ করেন। তখন ঋতব্রত তৃণমূলের পক্ষে চন্দ্রিমাকে অভিনন্দন জানানো হয়। প্রসঙ্গত চন্দ্রিমার পুত্র সৌগত গত ২৩ জুন ঋতব্রতদের সঙ্গে যোগ দেন।
এদিকে চন্দ্রিমা বলেন,”অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন আমি মন্ত্রগুপ্তি নিয়েছিলাম। আমাকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন নির্দেশ দিতেন তেমন ভাবে চলেছি। বাজেট আপনারা যখন জানতেন তার আগে আমি জানতাম।”
এদিকে চন্দ্রিমা দল ছাড়ার পর কুনাল ঘোষ বলেন, “মন্ত্রিত্বের সময়ের নিরিখে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সঞ্চয়ে বেশি সময় মন্ত্রী ছিলেন। তখন তাঁর এই খারাপ লাগা দেখা যায়নি। এখন খারাপ লাগা জেগে উঠছে।”

  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!