- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- জানুয়ারি ৩, ২০২৬
ছত্তিশগড়ের সুকমায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, শীর্ষনেতা হত নিহত ১৪ মাওবাদী
ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে একজন সিনিয়র এরিয়া কমিটির নেতাসহ কমপক্ষে ১২ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে প্রচুর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রশস্ত্ক উদ্ধার করা হয়েছে।
গোপনসূত্রে মাওবাদীদের উপস্থিতির খবর পেয়ে শুক্রবার সন্ধেয় কিস্তারাম থানার অধীন পালোদি এবং পোতাকপল্লী এলাকা থেকে জেলা রিজার্ভ গার্ড সুকমায় অভিযান শুরু করে। নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি জানতে পেরে মাওবাদীরা জেলা রিজার্ভ গার্ডের সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। গার্ড সদস্যদের গুলিতে ১২ জন মাওবাদী নিহত হন। সুকমার কিস্তারাম এলাকার পামলুর গ্রামের কাছে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গুলি বিনিময়ের সময় নিরাপত্তা বাহিনী ১২ জন মাওবাদী ক্যাডারকে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে কোন্টা এরিয়া কমিটির সম্পাদক মাংডুও রয়েছেন। বাকি নিহত মাওবাদীদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি নিরাপত্তা বাহিনী। সংঘর্ষস্থল থেকে নিরাপত্তা বাহিনী একে–৪৭, ইনসাস রাইফেলসহ প্রচুর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। কর্তারা জানিয়েছেন, সুকমার পুলিশ সুপার কিরণ চবন এই অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
অন্যদিকে, বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে পৃথক সংঘর্ষে দুজন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। মাওবাদী ক্যাডারদের উপস্থিতি সম্পর্কে তথ্যের ভিত্তিতে ছত্তিশগড় পুলিশের একটা ইউনিট, ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডের দল অভিযান শুরু করলে ভোর ৫টার দিকে জেলার দক্ষিণ অংশের এক বনাঞ্চলে মাওবাদীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে দুজন মাওবাদীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। গুলির লড়াই এখনও এখনও চলছে।
চলতি বছরের মার্চের মধ্যে মাওবাদী নির্মূল করাই লক্ষ্য কেন্দ্রীয় সরকারের। সেই লক্ষ্যে গতবছরের শুরু থেকে অভিযান তীব্র হয়েছে। গত বছর ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২৮৫ জন মাওবাদী নিহত হয়েছিল। এর মধ্যে ২৫৭ জনকে বাস্তার বিভাগে হত্যা করা হয়েছিল, যার মধ্যে বিজাপুরসহ সাতটি জেলা রয়েছে। এবং রায়পুর বিভাগের গড়িয়াবন্দ জেলায় আরও ২৭ জন নিহত হয়েছিল।
❤ Support Us




