- দে । শ
- অক্টোবর ১৬, ২০২৫
পাকিস্তানের জেলে বসিরহাটের ২ মৎসয়জীবী। তাদের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ করতে পারছে না। ঘোর দুশ্চিন্তায় পরিবার।
আরব সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ভারতীয় ট্রলার ভিড়ল পাকিস্তানের সীমানায়। ধরা পড়ে গেল মৎস্যজীবীদের দল। তার মধ্যে রয়েছেন বসিরহাটের ২ যুবক। তাঁরা প্রায় ২ বছর পাকিস্তানের জেলে বন্দী । উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন পরিবার। বছর দুয়েক আগে রাতের অন্ধকারে জল সীমান্ত বুঝতে না পেরে পাকিস্তানের সীমান্তে ঢুকে পড়ে ভারতীয় মৎস্যজীবী ট্রলার। পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তারা ধরা পড়ে যায়। প্রায় ২ বছর তাঁরা আটকে পাকিস্তানের জেলে। তাদের ঘরে ফেরাতে সরকারের কাছে আর্জি ২ মৎস্যজীবীর পরিবার। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে বসিরহাট ২ ব্লকের
মাটিয়া থানার চাঁপাপুকুর পঞ্চায়েতেপ মমিনপুর গ্রামে বাড়ি লাল্টু দাস ও সুজয় দাস। বসিরহাট উত্তরের বিধায়ক, ঘটনাটা ওই পরিবার ও এলাকার মানুষের কাছে খুবই উদ্বেগের। বিষয়টা জানার পর আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জির সঙ্গে কথা বলব, যাতে বিদেশ মন্ত্রক মারফৎ তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা যায়।
মমিনপুরের বাসিন্দা লাল্টু ও সুজয় কেরালায় গিয়েছিলেন ট্রলারে মাছ ধরার কাজে। লালটু ও সুজয় ২ ভাই কেরল থেকে গুজরাটে আরব সাগরে একই ট্রলারে চেপে গিয়েছিলেন মাছ ধরতে। সমুদ্রে মাছ ধরার সময় জল সীমান্ত অতিক্রম করতেই পাকিস্তানের পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। এখনও ওই ২ যুবক পাকিস্তানে করাচি জেলে বন্দী রয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলালে ঘুমিয়ে পড়েছিল সবাই। ট্রলার ভাসতে ভাসতে পাকিস্তানের জলসীমায় চলে যায়। ২০২৩ সালে ১ জানুয়ারি সুজয় ও লাল্টু পাকিস্তান পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। তাদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে , ৮ মাস আগে ভিডিও কলে শেষ কথা হয়েছিল। তাছাড়া চিঠি আদান–প্রদান হয়েছে কয়েকবার। তারপরে আর যোগাযোগই নেই। দীর্ঘ ৮ মাস আমরা কোন খবরাখবর পাই না।
আমরা স্থানীয় বসিরহাট ও মাটিয়া থানা পুলিশকে জানিয়েছি। কয়েক মাস আগে দিল্লি পুলিশ এসে ২ জনের যাবতীয় তথ্য নিয়ে গিয়েছে। তারপর তো আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি সুজয় ও লাল্টুর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। দাস পরিবার উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। সুজয় লাল্টুর পথ চেয়ে তাঁদের দিন কাটছে। সুজয়ের মা প্রতিমা দাস বলেন, ওদের আয়েই আমাদের সংসার চলে। এখন ওরা ফিরে আসুক এটাই চাই। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, আমাদের ছেলেদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করুন।
❤ Support Us





