- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- অক্টোবর ৪, ২০২৪
স্কুল সার্ভিস কমিশনের উচ্চ প্রাথমিকের কাউন্সেলিংয়ে এলেন না ২৮ শতাংশ প্রার্থী
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের উচ্চ প্রাথমিকের কাউন্সেলিং। প্রথম দিনের কাউন্সেলিংয়ে ডাকা হয়েছিল ১৪৪ জনকে। বহু প্রতীক্ষিত কাউন্সেলিংয়েই এলেন না ২৮ শতাংশ চাকরীপ্রার্থী! অথচ এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কতই না আন্দোলন, কতই না ঝড় বয়ে গেছে।
২০১১ সাল পর্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছে। কোনও দুর্নীতির গন্ধ পাওয়া যায়নি। রাজ্যে পালাবদলের পর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতার ছবি ফুটে উঠেছে। দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, নিয়ম বহির্ভূতভাবে নিয়োগের অভিযোগে জর্জরিত স্কুল সার্ভিস কমিশন। ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। পরের বছর ১৬ আগস্ট এই পরীক্ষা হয়। এরপর স্কুল সার্ভিস কমিশন ২০১৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ১৪ হাজার ৫২ জনের মেধা তালিকা প্রকাশ করে। পরে ওএমআর শিট পুনরায় মুল্যায়ন করে ১৪৬৩ জনকে বাদ দেওয়া হয়। মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। অবেশেষে আদালতের রায়ে জট কাটে। ১৩৯৫৯ জনের মেধা তালিকা প্রকাশ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন।
স্কুল সার্ভিস কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ৩ ও ৪ অক্টোবর কাউন্সেলিং হবে। পুজোর পরে আবার কাউন্সেলিং হবে ২৪, ২৫, ২৮ ও ২৯ অক্টোবর। সেইমতো বৃহস্পতিবার ১৪৪ জনকে ডাকা হয়েছিল। ২৮ শতাংশ প্রার্থী কাউন্সেলিংয়েই হাজির হননি। বৃহস্পতিবার ১০২ জনের হাতে শংসাপত্র তুলে দিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।
কেন চাকরীপ্রার্থীরা গরহাজির? অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক চন্দন মাইতি বলেন, ‘শিক্ষকতা পেশায় ইদানীং কালে কলঙ্কের দাগ লেগেছে। দুর্নীতিতে জর্জরিত স্কুল সার্ভিস কমিশন। শুধু স্কুল সার্ভিস কমিশনই নয়, মধ্য শিক্ষা পর্ষদ, বিদ্যালয় শিক্ষা দফতরেও দুর্নীতি। তাই প্রার্থীদের মনে সংশয় দেখা দিয়েছে।’ আরও কারণ উঠে আসছে, অনেক চাকরিপ্রার্থীর বয়স বেড়ে গিয়েছে। ফলে তাঁরা চাকরি করার সুযোগ হারিয়েছেন। অনেক যোগ্যপ্রার্থী আবার বেছে নিয়েছেন অন্য পেশা। অনেকেই ভিনরাজ্যে শিক্ষকতার পেশা বেছে নিয়েছেন। এই ছবিটা কিন্তু রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে অশনি সংকেত।
❤ Support Us





