Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুন ২৯, ২০২৪

শুরু অমরনাথ যাত্রা, তুষারলিঙ্গ দর্শনে পাড়ি পুণ্যার্থীদের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
শুরু অমরনাথ যাত্রা, তুষারলিঙ্গ দর্শনে পাড়ি পুণ্যার্থীদের

প্রতিকুল পরিবেশ ও জঙ্গি হানার ভ্রূকুটিকে উপেক্ষা করে, শনিবার থেকে ২০২৪ সালের ‘অমরনাথ যাত্রা’ শুরু হল । তীর্থযাত্রীদের প্রথম ৪৬০৩ জনের দলটি নির্বিঘ্নে পহেলগাঁওয়ে পৌঁছেছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২,৭৫৬ ফিট উচ্চতায় অবস্থিত এই দুর্গমতীর্থে বছরে কয়েক লক্ষ যাত্রী পাড়ি দেন। ৫২ দিনের এই যাত্রা শেষ হবে আগস্ট মাসের ১৯ তারিখে।। চলতি বছরের এপ্রিলের ১৫ তারিখে ‘শ্রী অমরনাথ স্রাইন বোর্ড’ তাদের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করে।

এই যাত্রাকে কেন্দ্র করে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়েছে। জম্মু কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিং জানিয়েছেন, অতীত ও সাম্প্রতিককালের জঙ্গিহানার ঘটনাকে মাথায় রেখে এবারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটসাঁট করা হয়েছে। পুরো যাত্রাপথে সেনা, আধাসেনা ও পুলিশের পাশাপাশি থাকবে প্রশিক্ষিত সারমেয় । এলাকায় নজরদারি চালানোর জন্য থাকবে বিশেষ ড্রোন ক্যামেরা। যাত্রাপথের প্রতিটি ক্যাম্পে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর দলও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে গুহার মধ্যে বরফগলা জল চুঁইয়ে পড়ে অবিকল শিবলিঙ্গের আকৃতি নেয় । সারা বছর ধরে পুর্ণার্থীরা মানুষ এই সময়ের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষেরা মনে করেন, পবিত্র এই গুহায় প্রলয়ের দেবতা মহাদেব তাঁর স্ত্রীকে অমরত্ব ও সৃষ্টির রহস্য প্রকাশ করেছিলেন।

১৫ শতকে একজন মেষপালক বুটা মালিক এই গুহা খুঁজে পান। ঠিক কবে থেকে এই যাত্রা শুরু হয় তা অনুসন্ধান করতে গেলে জানা যাবে, কিংবদন্তি আরজ রাজা( খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ সাল) বরফ নির্মিত শিবলিঙ্গে নিয়মিত পূজা দিতে যাত্রা করতেন। ১৯ শতকে কাশ্মীরি পণ্ডিত মহাদেব কউল আবার এই গুহাটি খুঁজে বার করেন ও তা লিপিবদ্ধ করেন। ১৯৩৪ সালে কাশ্মীরের রাজা হরি সিং আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অমরনাথ যাত্রা’ শুরু করেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কাশ্মীর সমস্যা মাথাচাড়া দিলে যাত্রা কিছুকাল স্থগিত রাখা হয়। ১৯৪৯ সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মধ্যস্থতায় অমরনাথ যাত্রা আবার শুরু হয়।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!