- এই মুহূর্তে বি। দে । শ
- জুলাই ৮, ২০২৪
কোশিতে প্লাবন। নেপালে বন্যায় মৃত ৬২, নিখোঁজ বহু
অতি বর্ষণের শিকার এবার হিমালয়ের কোলের দেশ নেপাল। গত ৩৬ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টিপাতে ভূমিধ্বস ও হড়পা বানে ৬২ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মূল সড়ক ও বেশ কিছু হাইওয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
নেপাল পুলিশ মুখপাত্র দান বাহাদুর কারকি বলেছেন, প্রবল বন্যায় এখনো পর্যন্ত নিখোঁজের সংখ্যা ১২ ছাড়িয়েছে। বন্যার জলে ভেসে গিয়েছেন বহু মানুষ। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। কারকি জানিয়েছেন, বন্যায় ইতিমধ্যে উদ্ধারকারীদের দল ত্রাণের কাজে নেমে পড়েছে। ভূমিধ্বস পরিষ্কার করে দ্রুত সড়কপথ খুলে দেওয়ার কাজ চলছে।
নেপালের দক্ষিণাঞ্চলীয় কোশি নদীর জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে । এই নদী বিহারে প্রতি বছরই বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে থাকে। সুন্সারি জেলারেক প্রশাসনিক কর্তা জানিয়েছেন, কোসি নদীতে জলস্তর বাড়ছে । তাই বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
People swept away by raging floodwaters!
At least 62 people killed in flooding in Tanahun, Gandaki Province, #Nepal#Flood #Asia #Landslide #Gandaki #Tanahun #Flooding #Flashflood #Rain #Weather #viral #Climate pic.twitter.com/VJghlj1DvL— Earth42morrow (@Earth42morrow) July 8, 2024
তিনি জানিয়েছেন, সোমবার সকাল নটায় কোসি নদীর জলপ্রবাহের গতি ছিল প্রতি সেকেন্ডে ৩৬৯,০০০ কিউসেক, যা স্বাভাবিকের থেকে ১৫০,০০০ কিউসেকের প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কোসি ব্যারেজের ১০-১২ টি স্লুইস গেট খোলা থাকলেও এই পরিস্থিতিতে ৫৬ টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে।পশ্চিমের নারায়ণী, রাপ্তি ও মহাকালী নদীতেও জল প্রবাহও বাড়ছে ।এলাকায় রীতিমতো বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘরবাড়ি ডুবে গিয়েছে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।
গত জুন মাসের মাঝামাঝি বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর থেকে ভূমিধ্বস , বন্যা ও বজ্রপাতের কারণে নেপালে ৫০ জন মারা গেছেন। হিমালয়ের কোলের এই দেশে ভূমিধ্বস ও হড়পা বানের পরিস্থিতি জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত থাকে। তবে এবারের পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা। শুধু নেপাল নয়, সাড়া বিশ্বের বহু দেশেই বন্যা ও ভূমিধ্বসের জন্য অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন বহু। বহু দেশে জলবায়ু পরিবর্তনের পরিস্থিতিও দেখা দিয়েছে।
❤ Support Us







