Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

চার দিনে ৭০ লক্ষ নথি যাচাই ! প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকের পর কী বলছে কমিশন ?

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
চার দিনে ৭০ লক্ষ নথি যাচাই ! প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকের পর কী বলছে কমিশন ?

প্রযুক্তিগত জট কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত যাচাইয়ের কাজ শুরু করলেন কলকাতা হাই কোর্ট-নিযুক্ত বিচারকরা। সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশ মেনে ভোটার তালিকায় তথ্যগত অসঙ্গতি খতিয়ে দেখে তার নিষ্পত্তির দায়িত্ব নিয়েছেন তাঁরা।

তবে সোমবার যাচাই প্রক্রিয়া শুরুর দিনেই ওটিপি-সহ একাধিক প্রযুক্তিগত সমস্যার মুখে পড়তে হয়। মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, সেই সমস্যার অনেকটাই ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে এবং কাজ এগোচ্ছে।

সুপ্রিম নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। হাতে সময় মাত্র চার দিন। এই স্বল্প সময়ে প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষের নথি যাচাই কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। যদিও প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী এসআইআর সংক্রান্ত কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট প্রতিদিন হাই কোর্টে জমা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।

সুপ্রিম কোর্টের নজিরবিহীন নির্দেশের পর থেকেই দফায় দফায় বৈঠক করেছেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি। মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক, মুখ্যসচিব-সহ শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই একাধিক বৈঠক হয়েছে। সোমবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মনোজ আগরওয়াল ও রাজ্যের মুখ্যসচিব-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন।

জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকেই বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা কীভাবে নথি যাচাই করবেন এবং কীভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন, তার পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়। আবেদন গ্রহণ বা বাতিলের পদ্ধতি, বাতিলের ক্ষেত্রে কারণ উল্লেখ করার নিয়ম, এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা—সবকিছু নিয়েই একটি সুস্পষ্ট নির্দেশিকা চূড়ান্ত হয়েছে।

হাই কোর্ট সূত্রে খবর, প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—নির্ধারিত নির্দেশিকার বাইরে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। কমিশন যে বিশেষ পোর্টাল তৈরি করেছে, সেটিও বৈঠকে প্রদর্শন করা হয়। পোর্টালে কীভাবে নথি আপলোড, যাচাই ও প্রয়োজন হলে অপসারণ করা হবে, সেই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের বিস্তারিতভাবে বোঝানো হয়েছে।

এছাড়া বিচারকরা কীভাবে আবেদন খতিয়ে দেখবেন, সিদ্ধান্ত নেবেন এবং আবেদন গ্রহণ বা বাতিলের কারণ কীভাবে জানাবেন—তাও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কমিশনের দাবি, পুরো প্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক ও আইনি দিকগুলি সমান গুরুত্ব দিয়ে এগোনো হচ্ছে।

এখন দেখার, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ৭০ লক্ষ নথির যাচাই প্রক্রিয়া কতটা সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে কমিশন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!