- এই মুহূর্তে ন | ন্দ | ন | চ | ত্ব | র
- ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
বিশেষভাবে সক্ষম ‘ডেলিভারি পার্টনার’দের সাংকেতিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, গ্রাহকদের মানবিক ভাষা শেখাচ্ছে জোমাটো
ভারতের প্রধান খাদ্য অর্ডার ও বিতরণ প্ল্যাটফর্ম জোমেটো সম্প্রতি একটি নতুন স্বল্পদীর্ঘের ছবি প্রকাশ করেছে, যাতে তাঁরা শ্রবণ ও ভাষা অক্ষম ডেলিভারি পার্টনারদের প্রতিদিনের সংগ্রাম এবং দৃঢ়তাকে উদযাপন করছে। আন্তর্জাতিক ‘বিশেষভাবে সক্ষম দিবস’-এর প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত এই চলচ্চিত্রে তুলে ধরা হয়েছে রাকেশের গল্প। রাকেশ হলেন জোমেটোর ৫,০০০-এর বেশি কর্মরত বিশেষভাবে সক্ষম ডেলিভারি পার্টনারদের একজন।
চলচ্চিত্রে দেখানো হয়েছে, রাকেশ দৈনন্দিন ডেলিভারি কাজের মধ্য দিয়ে যে দৃঢ়তা ও পরিশ্রম দেখান, তবে তার যথাযথ প্রশংসা প্রায়ই গ্রাহকদের সাধারণ ধন্যবাদে পৌঁছায় না, কারণ রাকেশ কানে শুনতে পান না, কথা বলতে পারেন না। তবে চলচ্চিত্রের শেষ মুহূর্তে একটি ছোট্ট মুহূর্ত বড়ো প্রভাব ফেলে। একজন খুদে গ্রাহক ভাষা সংকেত ব্যবহার করে রাকেশকে ধন্যবাদ জানায়, যা জোমেটো অ্যাপে দেওয়া সহজ নির্দেশিকা দেখে শিখেছে সে।
জোমেটো সূত্রে জানা গেছে, অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত সংস্থায় ৫,০০০-এর বেশি বিশেষভাবে সক্ষম ডেলিভারি পার্টনার রয়েছেন। এর মধ্যে ১,০০০-এর বেশি রয়েছেন যাঁরা কথা বলতে পারেন না, কানে শোনেন না। সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ছোট্ট এ উদ্যোগগুলো ডেলিভারি পার্টনারদের কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে এবং গ্রাহকের সাথে তাদের যোগাযোগ আরও অর্থবহ করে তুলছে। অন্যদিকে, ওয়াটারশেড অর্গানাইজেশন ট্রাস্ট ও ওয়ালমার্ট ফাউন্ডেশন এক যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ মহিলাদের পেশাদার ড্রোন পাইলট হিসেবে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য শুধুমাত্র প্রযুক্তি ব্যবহার নয়, বরং লিঙ্গ সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা। প্রকল্পের আওতায় ওয়াটারশেড অর্গানাইজেশন ট্রাস্ট একটি মডেল তৈরি করেছে, যেখানে কৃষক-উৎপাদক সংস্থা তাদের দলের জন্য ড্রোন ক্রয় করছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মহিলারা এখন ফসল পর্যবেক্ষণ এবং সঠিক স্প্রে করার কাজে ড্রোন ব্যবহার করছেন। প্রাথমিকভাবে মহারাষ্ট্রের জলনা ও ধরাশিভ জেলায় শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি ধীরে ধীরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও সম্প্রসারণ করা হবে। ওয়াটারশেড অর্গানাইজেশন ট্রাস্ট-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ উদ্যোগ শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়াবে না, বরং গ্রামীণ মহিলাদের ক্ষমতায়ন ও তাদের সম্প্রদায়ে নেতৃত্ব প্রদানের সুযোগও নিশ্চিত করবে। নাগরিক সমাজের অনেকেই বলছেন, এ ধরনের উদ্যোগগুলি সমাজে অন্তর্ভুক্তি ও মানবিকতার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে। ছোট্ট একটি ধন্যবাদ বা প্রশংসা বার্তা কখনো কখনো বৃহৎ সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে। রাকেশের মতো ডেলিভারি পার্টনারদের জন্য এই ধরনের উদ্যোগগুলো তাদের দৈনন্দিন সংগ্রামকে আরও অর্থবহ করে তুলছে।
❤ Support Us







