- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ২৫, ২০২৬
জঙ্গিপুরে স্ট্রংরুমে সিসি ক্যামেরা বিকল। ‘দিল্লির চক্রান্ত’, অভিযোগ বায়রন বিশ্বাসের
শনিবার ভোররাতে জঙ্গিপুর-এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয় স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা বিকল হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, দফায় দফায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল নজরদারি ব্যবস্থা। খবর পেয়েই সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক ও তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস দলবল নিয়ে পৌঁছে যান জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজ-এ, যেখানে স্ট্রংরুমটি অবস্থিত।
স্ট্রংরুমের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রশাসনিক আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ঘটনাস্থলে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে তাঁর তীব্র বাদানুবাদ হয় বলেও জানা গেছে।
সূত্রের খবর, প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর থেকেই স্ট্রংরুমের উপর নজর রাখছিল তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। সম্ভাব্য গণ্ডগোলের আশঙ্কায় স্ট্রংরুম সংলগ্ন এলাকায় পাহারাও দিচ্ছিল তারা। শুক্রবার রাতে প্রথমে বায়রনের অনুগামীরাই সিসি ক্যামেরা বন্ধ হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেন। প্রশাসনের তরফে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তা সচল করা হলেও, অভিযোগ—মাঝরাতে আবারও ক্যামেরা বিকল হয়ে যায়।
এরপরই বিষয়টি জানানো হয় বায়রন বিশ্বাসকে। ভোররাতে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
বায়রনের দাবি, “রাতভর একাধিকবার সিসি ক্যামেরা বন্ধ হয়েছে। এসডিও-কে ফোন করলে তিনি জানান, শনিবার সকাল পর্যন্ত মেরামত সম্ভব নয়। পরে অনুরোধে আধঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও, সমস্যা আবারও দেখা দেয়। এটা কোনও টেকনিক্যাল ফল্ট নয়, এটা ‘দিল্লি ফল্ট’।”
ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, “বাংলায় গণতান্ত্রিক ভোটের কোনও প্রয়োজন নেই—এই পরিস্থিতিতে মুর্শিদাবাদের চার তৃণমূল প্রার্থীকে হারানোর চক্রান্ত চলছে।”
উল্লেখ্য, এর আগেও প্রথম দফার ভোটে সামশেরগঞ্জ-এ ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাধার মুখে পড়েন বায়রন। অভিযোগ, বুথে ঢোকার আগে তাঁকে পাঁচবার তল্লাশি করা হয়। শেষ পর্যন্ত ভোট না দিয়েই বুথ ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। সে সময়ও বিজেপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি।
এদিন স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা বিকল হওয়ার ঘটনাকেও সেই একই ‘চক্রান্তের অংশ’ বলেই দাবি করেছেন বায়রন বিশ্বাস
❤ Support Us





