- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ২৫, ২০২৬
লুডো ছকে অভিনব প্রচার পূর্ব বর্ধমানে
বঙ্গ বিধানসভার ভোটরঙ্গে ফিরল লুপ্তপ্রায় খেলা ‘লুডো’। সৌজন্যে তৃণমূল। বাড়ি বাড়ি ‘জয় বাংলা’ লুডোর ছক বিলি করছেন দলের কর্মীরা। ছকে যথারীতি রয়েছে উন্নতির সিঁড়ি, মই। মইকে ব্যবহার করা হয়েছে তৃণমূলের প্রতীক হিসেবে। অবনমনের জন্য ছকে আঁকা সাপগুলিকে ব্যবহার করা হয়েছে বিজেপির প্রতীক হিসেবে। মইগুলির গোড়ায় লেখা রয়েছে এবারের ভোটে মমতা ব্যানার্জির জনমুখী প্রকল্পগুলির কথা। যেমন, যুবসাথী, বাংলার বাড়ি, কৃষকবন্ধু প্রভৃতি।
সাপগুলির মুখ করা হয়েছে দেশের বিজেপি নেতাদের কার্টুনের আদলে। সেইসঙ্গে লেখা রয়েছে বিজেপির নানা ‘জনবিরোধী’ ফতোয়া। যেমন, উন্নয়ন বন্ধ, মাছ-মাংস বন্ধ, মাতৃভাষায় কথা বলা বাদ, জলের টাকা বন্ধ প্রভৃতি। পাশে লেখা রয়েছে, ‘চিনে নিন বাংলা-বিরোধী সাপেদের, আর বুঝে নিন, কীভাবে তৃণমূলের উদ্যোগে সমৃদ্ধ হবে বাংলার ভবিষ্যৎ!’ এই ছকের উল্টোপিঠে ছাপা রয়েছে, বাংলার ভবিষ্যৎ সুদৃঢ় করতে এবারের ভোটের ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ১০ অঙ্গীকার।
সেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, বিশেষ কৃষি বাজেট, বার্ধক্য ভাতা, বাণিজ্য দিশারী বাংলা, সুস্বাস্থ্য, মাথার উপর ছাদ, ঘরে ঘরে পরিস্রুত পানীয় জল প্রভৃতি। এই ছক সংগ্রহ করার আগ্রহও চোখে পড়ার মত। বিশেষ করে মহিলাদের আগ্রহ বেশি। জাহানারা বিবি, মালতী চুনারি, লক্ষ্মী দেবনাথরা বলছিলেন, ‘ছকটা খুবই সুন্দর হয়েছে। সত্যি বিষধর সাপের মতই বিজেপি নেতাদের গতিবিধি। ওদের খপ্পরে পড়লে অবনতি যে অনিবার্য, তা লুডোর ছকে খুব সুন্দরভাবে ধরা হয়েছে।’ এমন ভাবনার জন্য ছক প্রস্তুতকারীকে দু’হাত তুলে অভিনন্দন জানালেন সংগীতা হাজরা, শাবানা খাতুনরা।
পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা কাটোয়ার তৃণমূল প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চ্যাটার্জি বললেন, ‘একসময়ে লুডো ছিল সংসারে বিনোদনের অন্যতম উপকরণ। বিশেষ করে মেয়েরা। লুডোর ছকে তৃণমূল ও বিজেপি ২ দলের দর্শন ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়েছে। এতে সহজেই মানুষ কারও মদত ছাড়াই ২ দলের সম্পর্কে এক ঝলকে জানতে পারবেন। ছকের চাহিদা হটকেকের মত।’ রবীন্দ্রনাথবাবুর কথায়, ‘ভোটের মাঠে লুডোর ছক একটা অভাবনীয়, আকর্ষণীয় ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ মমতা ব্যানার্জির।’
❤ Support Us





