- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ২৩, ২০২৬
দক্ষিণ দমদম পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সঞ্জয় দাসের রহস্যমৃত্যু!
দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা পুর পারিষদ সদস্য সঞ্জয় দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়। শনিবার সকালে নিজের ঘর থেকেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়েই নাগেরবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে আরজি কর হাসপাতালে (স্থানীয় সূত্রে ISL হাসপাতাল হিসেবে উল্লেখ) নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ ও স্থানীয়দের অনুমান, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুর পেছনে গ্রেপ্তারির আতঙ্ক কাজ করছিল, নাকি অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সঞ্জয় দাস বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর (রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী) অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বৃত্তের মানুষ ছিলেন। সম্প্রতি তোলাবাজি এবং ভোট-পরবর্তী হিংসাসহ একাধিক গুরুতর মামলায় পুলিশ দেবরাজ চক্রবর্তীকে আটক করে জেরা করে। এ ঘটনার পরপরই তাঁর ঘনিষ্ঠ বৃত্তে থাকা একাধিক তৃণমূল নেতাও তোলাবাজির অভিযোগে পুলিশের জালে ধরা পড়েন।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, দেবরাজকে আটক করে পুলিশি জেরা ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তারের পর থেকেই সঞ্জয় দাস তীব্র আতঙ্কে ভুগছিলেন। পুলিশের হাত থেকে বাঁচার কোনও উপায় না পেয়েই কি তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন? এই প্রশ্নই এখন জোরালো হচ্ছে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে খবর, গত বেশ কিছুদিন ধরেই সঞ্জয় দাস তীব্র মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এই অবসাদের পেছনে রাজনৈতিক চাপ নাকি অন্য কোনও ব্যক্তিগত কারণ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এদিকে সঞ্জয়ের মৃত্যুর খবর পাওয়া মাত্রই শোকার্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হাসপাতালে ছুটে যান অদিতি মুন্সি। কাউন্সিলরের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে গোটা পরিবার ও রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং সময় জানা যাবে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে নাগেরবাজার থানার পুলিশ
❤ Support Us







