- এই মুহূর্তে বি। দে । শ
- জুন ২, ২০২৬
এলোপাথাড়ি গুলি আইওয়ায়, হামলাকারী-সহ নিহত ৭
ফের আমেরিকার এলোপাথাড়ি গুলি। গুলিতে নিহত হয়েছেন একই পরিবারের ৬ জন সদস্য এবং হামলাকারী স্বয়ং। তিনি গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আমেরিকার আইওয়া-র মাস্কাটিন শহরের এই ঘটনা ঘটেছে। ওই শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে নিহতদের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনায় মিসিসিপি নদীর তীরে পূর্ব আইওয়ার মাস্কাটিন এলাকার বাসিন্দারা আতংকিত হয়ে উঠেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গুলি চালানোর পরে আত্মহত্যা করেছেন রায়ান উইলিস ম্যাকফারল্যান্ড (৫২)। সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিই ছয় জনকে গুলি করে খুন করেছেন বলে পুলিশ মনে করছে। নিহতরা সকলেই তাঁর পরিবারের সদস্য। পারিবারিক কোনও বিবাদের জেরে এই ঘটনা বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা। পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে গুলি চলে। খবর পেয়ে প্রথমে একটি বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানে পৌঁছে বাড়ির ভিতর থেকে চার জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন পুলিশের অফিসাররা। চার জনকেই মৃত ঘোষণা করা হয়। এর পরেই মাস্কাটিনের বাসিন্দা রায়ান উইলিস ম্যাকফারল্যান্ডকে সন্দেহভাজন আততায়ী হিসেবে শনাক্ত করে পুলিশ। তবে পুলিশ আধিকারিকরা পৌঁছনোর আগেই বাড়ি থেকে চলে গিয়েছিলেন ম্যাকফারল্যান্ড। পরে অন্য একটি বাড়ি এবং একটি স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আরও দু’জনের গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। মাস্কাটিন পুলিশ প্রধান অ্যান্টনি কাইস জানিয়েছেন, ম্যাকফারল্যান্ডকে আততায়ী হিসেবে দ্রত শনাক্ত করার পরেই তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। মিসিসিপি নদীর ধারে তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়। রায়ান উইলিস ম্যাকফারল্যান্ডের সঙ্গে কথা বলার সময়ে তিনি নিজের মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন বলেও জানিয়েছেন মাস্কাটিন পুলিশ প্রধান। তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও তা পারেননি আধিকারিকরা বলেও জানিয়েছেন তিনি। মিসিসিপি নদীর ধার থেকেই তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছে। ওই ছ’জনকে গুলি করার ঘটনার সঙ্গে ম্যাকফারল্যান্ড যে জড়িত তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। আধিকারিকদের অনুমান, নিহতরা সকলেই ম্যাকফারল্যান্ডের আত্মীয় ছিলেন। পারিবারিক বিবাদ থেকেই এই হিংসার সূত্রপাত বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন অ্যান্টনি কাইস। এই হত্যাকাণ্ডকে ‘জঘন্য কাজ’ এবং তাঁদের ‘বলার মতো ভাষা’ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। নিহতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করেননি কর্তৃপক্ষ। এই নিয়ে আরও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
❤ Support Us






