Advertisement
  • মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • জুন ১৫, ২০২৬

বিশ্বকাপ অভিষেকে গোল করে ইতিহাস কুরাসাওয়ের, ৭ গোলে বরণ জার্মানির

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বিশ্বকাপ অভিষেকে গোল করে ইতিহাস কুরাসাওয়ের, ৭ গোলে বরণ জার্মানির

ইতিহাসটা আগেই গড়েছিল কুরাসাও। ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করে। মাত্র দেড় লক্ষ জনসংখ্যার দেশ, তারাই কিনা বিশ্বকাপের আসরে!‌ চমক আরও আছে। বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে প্রতিপক্ষ মহাশক্তিধর জার্মানি। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে যাদের স্থান ৯ নম্বরে। অন্যদিকে, কুরাসাওয়ের অবস্থান ৮৮ নম্বরে। সেই দলের বিরুদ্ধে কিনা গোল। হ্যাঁ, জার্মানির বিরুদ্ধে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই বিশ্বকাপে প্রথম গোলটি করে ইতিহাস গড়ল কুরাসাও। যদিও শেষরক্ষা হয়নি। শেষ পর্যন্ত জার্মানি ৭–১ গোলের বিশাল ব্যবধানে দারুণভাবেই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল।

দুই দলের শক্তির ব্যবধানে বিশাল বৈষম্য। কুরাসাওকে নিয়ে জার্মানি যে ছিনিমিনি খেলবে, সেটা প্রত্যাশিতই ছিল। ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে ৭–১ ব্যবধানে পরাজিত করেছিল জার্মানি। কিন্তু ব্রাজিল আর কুরাসাও। আকাশ–পাতাল তফাৎ। কিন্তু এদিন ইউলিয়ান নাগলসম্যানের দল যে ফুটবল উপহার দিল, বিশ্বকাপের সম্ভাব্য দাবিদার হিসেবে প্রথম দিকেই চলে এল জার্মানি। প্রথম গোল এল ৬ মিনিটের মাথায়। ফেলিক্স এনমেচার মাধ্যমে। চলতি বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল। এর ১৫ মিনিট পর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ২১ মিনিটের মাথায় বক্সের ভেতর ফাঁকায় বল পেয়ে বাঁ পায়ের দুরন্ত শটে গোল করেন কুরাসাওয়ের রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেসিয়া। এই গোলের আগে কুরাসাও দু–একবার জার্মানির বক্সে ঢুকে সুবিধা করতে পারেনি।
কোমেনেসিয়ার গোলের পর জার্মানির দম্ভে আঘাত লেগেছিল। ‘ঘুমন্ত দৈত্য’ জেগে উঠে কুরাসাওয়ের রক্ষণ ভেঙে তছনছ করে দিয়ে গেল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে বিধ্বস্ত করে দিয়ে যায় কুরাসাওকে। বিরতির আগেই আরও ২ গোল। গোল করেন ৩৭ মিনিটে নিকো শ্লটারবেক ও প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে পেনাল্টি থেকে কাই হাভার্টজ। ৩–১ ব্যাবধানে এগিয়ে যায় জার্মানি। তখন যেন কুরাসাওকে খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৪ গোল জার্মানির। বিরতির পরপরই ৪৭ মিনিটে জামাল মুসিয়ালার মাধ্যমে গোলের বন্যা শুরু। ৬৮ মিনিটে ৫–১ করেন নাথানিয়াল ব্রাউন। ৭৮ মিনিটে ডেনিজ উনদাভের গোলে ৬–১। জার্মানির শেষ গোলটা এল ৮৮ মিনিটে কাই হাভার্টজের পা থেকে। কুরাসাওয়ের গোলকিপার এলয় রুম বেশ কয়েকটা সেভ না করলে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে জার্মানির করা ৮ গোলের রেকর্ড এদিন ভেঙে যেত।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৭–১ গোলের ব্যবধান হয়েছে ৪ বার। এর মধ্যে দুটি কৃতিত্ব জার্মানির। একবার ব্রাজিলের বিরুদ্ধে, এবার কুরাসাওয়ের বিরুদ্ধে। বাকি দুই ম্যাচের একটা ১৯৩৪ বিশ্বকাপে ইতালি ৭–১ ব্যবধানে হারিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। আর ১৯৫০ বিশ্বকাপে ব্রাজিল হারিয়েছিল সুইডেনকে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!