- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- জুলাই ১১, ২০২৬
মিকেল মেরিনোর দুরন্ত গোলে বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন
পর্তুগালের বিরুদ্ধে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে শেষ মুহূর্ত গোল করে বিশ্বকাপ থেকে পর্তুগালের বিদায়ঘন্টা বাজিয়ে দিয়েছিলেন মিকেল মেরিনো। কোয়ার্টার ফাইনালেও ‘সুপার সাব’ হয়ে উঠলেন স্পেনের স্ট্রাইকার। তাঁর করা শেষ মুহূর্তের গোলেই বেলজিয়ামকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পোন। ১৬ বছর পর আবারও সেমিফাইনালের টিকিট পেল স্প্যানিশরা। সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স।
পায়ে চোটের জন্য ম্যাচের ৭২ মিনিটে মাঠ ছাড়েন দুর্দান্ত বেলজিয়ামের গোলকি কোর্তোয়ার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন লামেন্স। তিনিই ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বড়ো ভুল করেন। আর সে ভুলকে কাজে লাগিয়ে ম্যাচের নায়ক মিকেল মেরিনো। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে নায়ক হওয়াটা এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের কাছে নতুন কিছু নয়। পর্তুগালের বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচেও পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে জিতিয়েছিলেন।
ম্যাচের ফল তখন ১–১। সবাই ধরে নিয়েছিলেন, ম্যাচ হয়তো অতিরিক্ত সময়ে গনাবে। তখনই ভুল লামেন্সের। ৮৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুরপাল্লার জোরালো নিচু শট নিয়েছিলেন স্পেনের মিডফিল্ডার কুবারসি। তালুবন্দী করতে পারেননি লামেন্স। বল হাত থেকে বেরিয়ে যায়। সামনেই ছিলেন মেরিনো। বল জালে জড়িয়ে দেন। এই গোলের পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বেলজিয়াম। হাতে পর্যাপ্ত সময়ও ছিল না।
যদিও গোটা ম্যাচে দারুণ লড়াই করেছিল বেলজিয়াম। স্পেনের ভয়ঙ্কর আক্রমণ সামলে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও ম্যাচে ফিরে এসে সমতাও ফিরিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে গোলকিপারের ভুলে সর্বনাশ। ম্যাচের ৩০ মিনিটে এগিয়ে যায় স্পেন। ডানদিক থেকে বল নিয়ে উঠে এসে পেড্রো পেরোকে বল বাড়িয়েছিলেন লামিনে ইয়ামাল। তিনি বক্সের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা দানি ওলমোকে বল দেন। ওলমোর শট ডানদিকে ঝাঁপিয়ে আংশিক প্রতিহত করেন বেলজিয়াম গোলকিপার। ফিরতি বল ৬ গজ বক্সের মাথা থেকে জোরালো শটে জালে পাঠান ফ্যাবিয়ান রুইজ।
৩৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল ইয়ামালের সামনে। তার বাঁ পায়ের দুরন্ত ফ্রি কিক ডানদিকে ঝাঁপিয়ে বাঁচান বেলজিয়াম গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া। ৪০ মিনিটে ইয়ামালের বাঁ পায়ের একটা শট সাইড নিতে গিয়ে আঘাত করে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে চাপ বাড়ায় বেলজিয়াম। অবশেষে ৪১ মিনিটে প্রতি–আক্রমণে উঠে এসে সমতা ফেরায়। ডানদিক থেকে সেন্টার করেছিলেন কাস্তানা। হেডে বল জালে পাঠান কেটেলারি। চলতি বিশ্বকাপে এই প্রথম গোল হজম করল স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে স্পেন। ৫২ মিনিটে ইয়ামালের একটা শট বেলজিয়ামের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বাইরে বেরিয়ে যায়। ২ মিনিট পরেই কুবারের শট আছড়ে গিয়ে পড়ে সাইড নেটে। ৫৮ মিনিটে ইয়ামালের শট অবিশ্বাস্য দক্ষতায় ঝাঁপিয়ে বাঁচান ঝাঁপিয়ে বেলজিয়াম গোলকিপার। ৬১ মিনিটে আবার ইয়ামালের শট আটকে দেন কোর্তোয়া। পরের মিনিটেই ওয়ারজাবালের শট দারুণভাবে ব্লক করেন। এই সময় একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে বেলজিয়াম রক্ষণের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছিল স্পেন। অবশেষে কোর্তায়া বেরিয়ে যেতেই লক্ষ্যক্ষেদ স্পেনের। সুপার সাব মিকেল মেরিনোর গোলে সেমিফাইনালে।
❤ Support Us







