Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬

ক্যামাক স্ট্রিটের তৃণমূল দফতরে হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ অভিষেকের  

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ক্যামাক স্ট্রিটের তৃণমূল দফতরে হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ অভিষেকের  

ফের খবরের কেন্দ্রে কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের দফতর। বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে একদল দুষ্কৃতী ঢুকে ভাঙচুর চালায়, সেখানে থাকা কর্মীদের মারধর করে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, হামলাকারীরা অফিসের বিভিন্ন অংশ তছনছ করার পাশাপাশি কর্মীদের মোবাইল ফোনো কেড়ে নেয়। কম্পিউটার, অন্যান্য বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ও আসবাবপত্রেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে তিনি অভিযোগ করেন, ‘অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বিজেপির গুন্ডারা’ তাঁর অফিসে হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, হামলার সময় অফিসের কর্মী এবং আইনজীবীরা বার বার ফোন ও ই-মেলের মাধ্যমে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ পাওয়ার পরেও প্রায় দু-ঘণ্টা পুলিশ কোনো পদক্ষেপ করেনি। কেন পুলিশ সময়মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছল না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

অভিষেকের দাবি, হামলাকারীরা শুধু অফিসে ভাঙচুরই চালায়নি, সেখানে থাকা কর্মীদের মারধর করার পাশাপাশি তাঁদের মোবাইল ফোনও কেড়ে নেয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে, কারা হামলার পরিকল্পনা করেছে এবং কার নির্দেশে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে— তার পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ।

যদিও তৃণমূলের সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে বিজেপি। বরাহনগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ দাবি করেছেন, এ ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনো যোগ নেই। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির কেউ এই হামলার সঙ্গে যুক্ত নন, গোটা ঘটনাটিই ‘সাজানো’। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভোর সাড়ে ৪টের সময়ে তৃণমূলের কর্মীরা ওই দফতরে কী করছিলেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ ছ-জনকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরেই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরেই ক্যামাক স্ট্রিটের ওই তৃণমূল দফতরকে ঘিরে রাজনৈতিক টানাপড়েন চলছে। এর আগে কলকাতা পুরসভার আধিকারিকেরা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ওই দফতরের একটি বিলবোর্ড সরাতে গেলে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাঁদের বচসা ও ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সে ঘটনার তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে সমন পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। এর মধ্যেই এ বার ভোররাতে তৃণমূলের দফতরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!