Advertisement
  • বি। দে । শ
  • সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

রাষ্ট্রপুঞ্জে ভাষণ দিতে চেয়েছিলেন মাহমুদ আব্বাস, ভিসা প্রত্যাখ্যান আমেরিকার

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
রাষ্ট্রপুঞ্জে ভাষণ দিতে চেয়েছিলেন মাহমুদ আব্বাস, ভিসা প্রত্যাখ্যান আমেরিকার

আগামী সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠক। সেই বৈঠকে ইজরায়েল–ফিলিস্তিন সংঘাত, গাজার মানবিক পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে আলোচনা হওয়ার কথা। অথচ এই বৈঠকে যোগ দিতে চাওয়া ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা দিল না ওয়াশিংটন। তাঁর ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বৈঠকের আগে এই সিদ্ধান্ত ওয়াশিংটন ও ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান করার কথা ছিল ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের। সাধারণ পরিষদে ভাষণো দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই সিদ্ধান্তের কারণে তিনি সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে পারবেন না। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলকে জানিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের অর্থ হল, আব্বাস টানা দ্বিতীয় বছরের মতো নিউইয়র্কে জাতিসংঘের বৈঠকে অনুপস্থিত থাকবেন। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা আগে থেকে রেকর্ড করা ভিডিওর মাধ্যমে তাঁর ভাষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এই সিদ্ধান্তটি জাতিসংঘের আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বকেও তুলে ধরে। ১৯৪৭ সালের জাতিসংঘ সদর দপ্তর চুক্তি অনুসারে, দপ্তরের কাজে জাতিসংঘে আসা বিদেশি কর্তাদের প্রবেশ সহজতর করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য। তবে ওয়াশিংটন দাবি করে আসছে যে, তাদের অভ্যন্তরীণ আইন এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ ভিসার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। এই বিষয়টি এর আগেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যেসব দেশের কর্মকর্তারা জাতিসংঘের বৈঠকে যোগ দিতে চেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে উত্তেজনার উৎস ছিল।

নিউইয়র্কে যেতে না পারলেও, আব্বাস দূর থেকেই সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা রেকর্ড করা ভিডিওর মাধ্যমে তাঁর ভাষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। আব্বাসের এই অনুপস্থিতি এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন জাতিসংঘ ইজরায়েল–ফিলিস্তিন সংঘাত, গাজার মানবিক পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আব্বাসকে ভিসা নে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ওয়াশিংটন ও ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেবে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা ও অন্যান্য সমালোচকদের যুক্তি হল, আব্বাসকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হলে তা জাতিসংঘের কার্যক্রমে স্বীকৃত ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলের পূর্ণ অংশগ্রহণের সক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে। অন্যান্য দেশও বৈঠকে সরব হতে পারে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!