Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জুলাই ১৮, ২০২৪

চাপের মুখে স্থগিত কর্ণাটকে সংরক্ষণের বিল, পুনর্বিবেচনার জন্য এমন সিদ্ধান্তঃ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
চাপের মুখে স্থগিত কর্ণাটকে সংরক্ষণের বিল, পুনর্বিবেচনার জন্য এমন সিদ্ধান্তঃ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

বিভিন্ন মহলে প্রবল সমালোচনার পর কর্ণাটক সরকার আপাতত তাদের চাকরি ক্ষেত্রে সংরক্ষণের বিলটি স্থগিত রাখল। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বিলটি পুনর্বিবেচনার জন্য আপাতত সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।
বস্তুত বুধবার কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে লেখেন, ওই বিল অনুযায়ী বেসরকারি ক্ষেত্রে স্থানীয়দের জন্য ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক চাকরিতে ৫০ শতাংশ ও নন – ম্যানেজমেন্ট পেশায় ৭৫ শতাংশ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কর্ণাটকের সরকারি চাকরিতে সি ও ডি গ্রুপে স্থানীয়দের জন্য ১০০ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মন্ত্রীসভা সে বিলটিকে অনুমোদন করেছে বলেও জানান তিনি। তারপর বিভিন্ন মহলে প্রবল সমালোচনা শুরু হয়। অ্যাসোচ্যাম, বায়োকন লিমিটেডের প্রধান প্রমুখ তথ্যপ্রযুক্তিক্ষেত্রে নামীদামী ব্যক্তিত্বদের ক্ষোভের মুখে পড়ে ওই বিল। তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়ে ওই বিল সংক্রান্ত পোস্টটি মুছে ফেলেন সিদ্দারামাইয়া। সে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি শাসক দল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হয়।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ওই বিল পাশের ফলে স্থানীয় কন্নড় ভাষাভাষীর মানুষেরা তাদের নিজেদের রাজ্যেই চাকরি পাবে। মাতৃভূমিতে তাদের কর্মহীন থাকতে হবেনা।
যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আঠাওয়ালে উল্টো সুর গাইছেন। তিনি বলেছেন, সিদ্দারামাইয়া সরকারের এই পদক্ষেপে তাঁর সমর্থন আছে। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁর দল দেশব্যাপী অনগ্রসর শ্রেণীর কল্যাণের জন্য কাজ করে । ভারত সরকার ও রাজ্য সরকারগুলির কাছে তাঁর দলের আবেদন বেসরকারি ক্ষেত্রেও পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জন্য সংরক্ষণ চালু করুক। যদিও সাধারণ ক্যাটেগরির প্রার্থীদের বিপক্ষে তাঁরা নন। তাঁদের বক্তব্য রাজ্যের তথ্য প্রযুক্তির যাবতীয় সুফলের ভাগ চলে যাচ্ছে উত্তর ভারতে। আবার ওই সংস্থাগুলি তাঁদের শিল্পের জন্য কর্ণাটক রাজ্যেরই জল , জমি অন্যান্য পরিকাঠামোর সুবিধা ভোগ করে। তাই স্থানীয়দের আগে সুযোগ দেওয়া উচিত। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি নীতি প্রয়োগ করা হয়নি

এদিকে, রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ লাড জানিয়েছেন, বেসরকারি সংস্থাগুলি যদি সংরক্ষিত স্তরে উপযুক্ত প্রার্থী না পায় তখন তারা কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্য রাজ্যের প্রার্থীদের সুযোগ দিতে পারেন।

বিলটি পাশ হওয়ার পর ন্যাশকম একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, যেখানে বলা হয়েছে, বিলে উল্লিখিত বিধানগুলির ফলে অগ্রগতি বাধাপ্রাপ্ত হবে। অনেক কোম্পানি অন্যত্র তাদের অফিস সরিয়ে নেবে। অনেক স্টার্ট আপ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশেষত বিশ্বব্যাপী সংস্থাগুলি যখন বিনিয়োগ করতে চাইছে, তখন এই বিলের ফলে সেটি বাধাপ্রাপ্ত হবে।
আপাতত এই বিল নিয়ে পরবর্তীকালে কর্ণাটকের সরকার কী ভাবছে সেদিকে তাকিয়ে দেশের ‘সিলিকন ভ্যালি।’


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!