- এই মুহূর্তে দে । শ
- আগস্ট ৫, ২০২৩
অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে ওষুধের দোকানে বুলডোজার অভিযান। সাম্প্রদায়িক হিংসার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এমন পদক্ষেপ , দাবি খট্টর প্রশাসনের
এখনো স্বাভাবিক হয়নি হরিয়ানার পরিস্থিতি। উত্তেজনার আবহেই ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল ওষুধসহ একাধিক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান। সরকারি সূত্রে দাবি, অবৈধ নির্মাণের কারণেই এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বলা দরকার, গত দুদিন ধরেই এ অভিযান শুরু করেছে খট্টর প্রশাসন। চলছে ধরপাকড়। সম্প্রতি নুহ-তে ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনায় দোকান মালিকদের মদত থাকতে পারে-এই সন্দেহেই এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমন ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকাবাসীরা। গ্রেফতারির ভয়ে যে যেখানে পারছেন পালিয়ে গিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছেন।
সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে যেসমস্ত ওষুধের দোকানগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে সেগুলি স্থানীয় একটি মেডিক্যাল কলেজের বিপরীতে অবস্থিত। এখানে যারা চিকিৎসার জন্য আসতেন, তাঁরা তাঁদের প্রয়োজনীয় ওষুধ এই মেডিসিন শপগুলো থেকে কিনতেন । কিন্তু এখন আর তা না থাকায় তাঁরা অসুবিধার সম্মুখীন হবেন। স বলা বাহুল্য শুধু ওষুধের দোকান নয়, একাধিক পুরোনো বাড়ি ও অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দোকানে বুলডোজার চালাণ হয়েছে। এলাকার কংগ্রেস বিধায়ক এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন, এভাবে শুধু বাড়ি নয় সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ভঙ্গ করা হল। নিজের প্রশাসনিক ব্যর্থতা ঢাকতে এমন দমনপীড়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। তিনি আরো জানিয়েছেন, যেকোনো উচ্ছেদ অভিযান করতে হলে অন্তত এক মাস আগে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে তা কিছুই করা হয়নি। সম্পূর্ণভাবেই একটি বেআইনি পথ গ্রহণ করেছে প্রশাসন।
রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সাম্প্রদায়িক হিংসার সঙ্গে দোকানমালিকদের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ বলেছেন, ২০২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটক রয়েছে এখনো ৮০ জন। এখনো পর্যন্ত পুলিশের কাছে হিংসার ঘটনায় ১০২ টি এফআইআর দাখিল হয়েছে। তাঁর মতে, সোমবারের হিংসার ঘটনার পিছনে একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে।আর তার মাথা কে সেটা খুজে বের করা দরকার। যদিও জেলা পুলিশ সুপার নরেন্দ্র সিং বিজারনিয়ার বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি বলেছেন, এখনো পর্যন্ত যেটুকু তদন্ত হয়েছে, তাঁরা সেরকম কোনো প্রমাণ পান্নি।
❤ Support Us






