Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জানুয়ারি ৩০, ২০২৫

আনাজের দর পাচ্ছেন না কৃষকরা। সহায়তায় এবার কৃষি দফতর

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
আনাজের দর পাচ্ছেন না কৃষকরা। সহায়তায় এবার কৃষি দফতর

কথা রাখল প্রশাসন। দুয়ারে সরকার শিবির পরিদর্শন করতে জামালপুর গিয়ে কৃষিজমি সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে বাঁধাকপির অভাবী বিক্রি ঠেকানোর পদক্ষেপ নেন রাজ্যের কৃষি দফতরের প্রধান সচিব ওঙ্কার সিং মিনা। ব্লক কৃষি আধিকারিক সঞ্জিবুল ইসলামকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ অনুযায়ী কাজ শুরু করল প্রশাসন। জামালপুর ব্লকের বিভিন্ন মাঠে গিয়ে ৮ টাকা পিস দরে বাঁধাকপি কিনে সুফল বাংলা স্টল ও হুগলির সিঙ্গুরে পাইকারি বাজারে পাঠানো শুরু করল কৃষি বিপণন দফতর। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, ‘এর আগে ফুলকপির অভাবী বিক্রি ঠেকাতে আমরা পূর্বস্থলী থেকে ফুলকপি কিনেছি। জামালপুরে গিয়ে বাঁধাকপির বিষয়টি নজরে এসেছে। সুফল বাংলার জন্যে ওই বাঁধাকপি কেনা হচ্ছে।’কোন কোন চাষির কাছ থেকে বাঁধাকপি কেনা হবে, তার তালিকা তৈরি করেছে পঞ্চায়েত সমিতি।ওই তালিকা ব্লক প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েও দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার জামালপুরের জ্যোৎশ্রীরাম ও সেলিমাবাদ এলাকায় দুয়ারে সরকার প্রকল্প সরোজমিনে খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন রাজ্যের কৃষি দপ্তরের প্রধান সচিব তথা কৃষি বিপণন দফতরের সচিব ওঙ্কার সিংহ মিনা। সেখান থেকে ফেরার পথে আরাশুল গ্রামের মাঠে বাঁধাকপির জমিতে নেমে পড়েন তিনি। বেশ কয়েকটা জমি পরিদর্শন করেন ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন। কৃষকরা জানান, ফুলকপির মতো বাঁধাকপিরও দাম নেই। এক-একটি কপি বড়জোর সর্বোচ্চ ৫ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। তাতে চাষের খরচই উঠছে না। শেখ মাসুদ নামে এক কৃষক বলেন, ‘আমি ৫ কাঠা জমিতে বাঁধাকপি চাষ করেছি। প্রায় ৮০০০ টাকা খরচ হয়েছে। ১৮০০ মতো বাঁধাকপি পেয়েছি। পাইকারি বাজারে যে দর মিলছে, তাতেতো খরচই পোষাবে না।’ বাঁধাকপি বিক্রি করে খরচ উঠছে না জেনেই মিনা সরকারি স্তরে কৃষকদের কাছ থেকে বাঁধাকপি কেনার উদ্যোগ নেন। সরকারের এই ‘কৃষক বান্ধব’ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ মেহেবুব খান বলেন, ‘এবার এখানে বাঁধাকপির ফলন হয়েছে প্রচুর পরিমাণে। ফলে কৃষকরা প্রত্যাশিত দর পাচ্ছেন না। এটা জেনে সরকারের তরফে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি বাঁধাকপি কেনায় কৃষকরা সত্যিসত্যিই হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন।’


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!