Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫

২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভুয়ো ভোটারের তরজা শুরু রাজনৈতিক মহলে

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভুয়ো ভোটারের তরজা শুরু রাজনৈতিক মহলে

রাজ্যে ১৬ লক্ষ ভুয়ো ভোটার— এ নিয়ে কার্যত তোলপাড় রাজনীতির আঙিনা। বুধবার বাজেট অধিবেশনের পর, ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে বাংলার ১৬ লক্ষ ভুয়ো ভোটার তৈরি করেছে বিজেপি, এভাবেই বাংলা দখল করতে চায় ওরা – মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় দেশ। এদিন তিনি দাবি করেন, “অনলাইন ভোটার তালিকার নামে নির্বাচন কমিশনের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। ইডি-সিবিআই পাঠানো হচ্ছে। আমি কাউকে দোষ দিচ্ছি না। কিন্তু ভুতুড়ে রাজনৈতিক দল এই কাজ করছে। ওদের নামও নিতে চাই না। ওরা ভুতুড়ে রাজনৈতিক দল। বিহারের লোকেদের নাম তুলছে অনলাইনে। কেন অনলাইনে এ কাজ হবে? ভোটার কার্ড, আধার কার্ডে নাম তুলতে গেলে তো সশরীরে যেতে হয়। প্রশ্ন তুলেছেন, বিজেপির, মহারাষ্ট্রে ৪০ লক্ষ ভোট বাড়ল কী করে? দিল্লিতেই বা কি করে জিতেছেন? আমরা সব জানি, একদিন না একদিন সত্যটা বেরোবেই। এখানে যে বাবুরা বসে রয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেক বিধানসভায় ২০ থেকে ৩০ হাজার বাইরের লোকের নাম ঢোকাচ্ছেন। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভুয়ো ভোটারদের ভোট দেওয়াবে। আপনাদের এই পরিকল্পনা কিন্তু আমরা ভেস্তে দেব। আপনাদের কারচুপি ধরে ফেলেছি।” মহারাষ্ট্র নির্বাচনে আগেই অভিযোগ উঠেছিল, এবার একই অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গেও। মহারাষ্ট্রের মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার চেয়ে ভোটারের সংখ্যা অনেক বেশি বলেও দাবি করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

বৃহস্পতিবার মমতা ব্যানার্জির সুরেই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধায় বলেছেন, ‘লোকসভা ভোটের পর থেকে বিধানসভা, এই আট মাসে দিল্লিতে নতুন করে ৪ লাখ লোকের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। এটা আমাদের জেনুইন বলে মনে হয়নি। অতীতে বাংলাতেও এই চেষ্টা হয়েছিল। আবারও হচ্ছে।’ তাঁর অভিযোগ কেন্দ্র সরকার বাংলার বরাদ্দ ১০০ দিনের কাজের টাকা, আবাস যোজনার টাকা দিচ্ছে না। মানুষকে বোঝাতে চাইছে আমরা টাকা দিচ্ছি না, কিন্তু তা টো সত্যি নয়। বাংলার মানুষ বিজেপির কোনো চক্রান্তকেই সফল হতে দেবে না।’

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের ‘ভুয়ো ভোটার তত্ত্ব’ নস্যাৎ করে দিয়ে পাল্টা অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ওঁর কোনো কাণ্ডজ্ঞান আছে? কী বলছেন তা হুঁশ আছে? ১৪ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী আছেন। ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার কে? জেলাশাসক। ১৬ লক্ষ ডুপ্লিকেট ভোট আমরা বের করে দিয়েছি। ২৬-এর বিধানসভায় কোনো কারচুপি চলবে না। নির্বাচনের আগে ভুয়ো ভোটার ডিলিট করাব।’

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাজেট বাংলা বিরোধী বলে সরব হয়েছে তৃণমূল সাংসদরা। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছেন বলে অভিযোগ তাঁদের। মঙ্গলবার লোকসভায় জবাবি ভাষণে পশ্চিমবঙ্গকে এক হাত নেবার চেষ্টা করেন নির্মলা সীতারমণ। সে নিয়ে তুমুল হৈ চৈ পড়ে যায়। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রি তাঁর ভাষণে দাবি করেন, বাংলায় ১০০ দিনের টাকা আটকে রাখা হয়েছে কারণ রাজ্যে এই প্রকল্প নিয়ে ব্যপক দুর্নীতি হয়েছে, ভুয়ো জবকার্ড তৈরি হয়ছে। এ নিয়ে মমতা ব্যানার্জীকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি ১৬ লক্ষ ভুয়ো ভোটারের কথা বলেন।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!