- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- এপ্রিল ২০, ২০২৩
নারদা গাম গণহত্যা মমলায় বেকসুর খালাস বিজেপির প্রাক্তন মন্ত্রী সহ ৬৮ অভিযুক্ত
২০০২ সালে গোধরা পরবর্তী দাঙ্গার ঘটনায় অভিযুক্তদের সকলেই বেকসুর মুক্তি দিল বিশেষ আদালত। বৃহস্পতিবার আমেদাবাদের বিশেষ আদালতের নির্দেশের ফলে রেহাই পেয়ে গেলেন ৬৮জন অভিযুক্তই। এদের ভিতর রয়েছেন বিজেপি এবং হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নেতারা।
আমেদাবাদে গোধরা পরবর্তী দাঙ্গার ভয়াবহ ঘটনা নারদা গাম গণহত্যা হিসেবে ইতিহাসে কুখ্যাত। গোধরা পরবর্তী দাঙ্গার ঘটনাগুলি, যার মধ্যে অন্যতম নারদা গাম এলাকার মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। দাঙ্গার এই ঘটনাগুলির তদন্তভার দেওয়া হয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিটকে।
নারদা গাম এলাকায় ২০০২ সালে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার বাসিন্দা মুসলমান সম্প্রদায়ের ১১জন নিরীহ নাগরিকের প্রাণনাশ হয়। সূত্রের খবর, এই মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন মোট ৮৬জন। এদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক মায়া কোডানি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রাক্তন নেতা জয়দীপ প্যাটেল ও বজরং দলের প্রাক্তন নেতা বাবু বজরঙ্গি। এদিন বিশেষ আদালতের নির্দেশে এরা সকলেই বেকসুর খালাস হলেন।
নারদা গাম এলাকায় দাঙ্গার ঘটনায় মোট অভিযুক্ত ছিলেন ৮৬জন। আদালত সূত্রের খবর, এদের মধ্যে ১৮জনের ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে। বাকি অভিযুক্তরাও এবার রেহাই পেয়ে গেলেন।
বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক মায়া কোদনানি নারদা গাম গণহত্যা ও নারদা পাটিয়া গণহত্যায় ২০০৮ সালে অভিযুক্ত হন। এরপর ২০১২ সালের অগাস্ট মাসে আদালত মায়া কোদনানিকে নারদা পাটিয়া গণহত্যার দায়ে ২৮ বছরের জন্যে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। তবে গুজরাট হাইকোর্ট ২০১৮ সালে ওই অভিযোগ থেকে রেহাই দেয় মায়াকে। প্রসঙ্গত, এই মামলায় মায়া কোদনানির পক্ষে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা বর্তমান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
মায়ার দাবি, দাঙ্গার সময়ে তিনি গুজরাট বিধানসভাতে ছিলেন। পরে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়াকালীন সময়ে তিনি স্থানীয় সোলা সিভিল হাসপাতালে ছিলেন। প্রসঙ্গত, এই মর্মান্তিক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ঘটনাটি ঘটেছে নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন।
❤ Support Us





