Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • মে ১৯, ২০২৩

অমিত বক্তব্যে মোদিস্তুতি — ভারত বিকাশে গান্ধি, প্যাটেল, দেশাইয়ের সমতুল্য নরেন্দ্রর অবদান

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
অমিত বক্তব্যে মোদিস্তুতি — ভারত বিকাশে গান্ধি, প্যাটেল, দেশাইয়ের সমতুল্য নরেন্দ্রর অবদান

দেশ গঠনের গুজরাটিদের অবদান কোনো অংশে কম নয় বলেই মনে করেন অমিত শাহ। একটি অনুষ্ঠানে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুজরাটের ৪ জন ব্যক্তিত্ব আধুনিক ভারতের উত্থান ও বিকাশজে গূরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহাত্মা গান্ধি, বল্লভভাই প্যাটেল, মোরারজি দেশাই যেমন রয়েছেন তেমনি আছেন নরেন্দ্র মোদি। তার এমন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে  বিতর্ক দেখা দিয়েছে।অনেকেই  এর মধ্যে তোষণের রাজনীতির লক্ষণ খুঁজে পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিল্লি গুজরাটি সমাজের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন অমিত শাহ । সেখানে তিনি বলেন, আজ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে গুজরাটিরা। সব ধরনের সমাজ, সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে তারা অনায়াসে মিশে যেতে পারে, সব শ্রেণির মানুষের সেবাও করতে পারে। তার পর বলেন,  আধুনিক ভারতের উত্থান থেকে বিকাশে চারজন গুজরাটির অবদান অনস্বীকার্য। প্রথমে তিনি উল্লেখ করেন মহাত্মা গান্ধীর কথা, যাঁর আদর্শকে ভিত্তি করে ভারত দীর্ঘ দুই শতকের পরাধীনতার শিকল ভঙ্গ করেছিল। দ্বিতীয় অবশ্যই সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল । যিনি ব্রিটিশ পরবর্তী খণ্ড বিখণ্ড ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করেন। । তৃতীয় যার নাম উল্লেখ করেছেন তিনিমোরারজি দেশাই। জরুরি অবস্থা পরবর্তী সময়ে ভারতের গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবনে যিনি মুখ্য ভূমিকা নেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এরপরই বলেন নরেন্দ্র মোদির কথা। যার প্রধানমন্ত্রীত্বকালে ভারতীয় গণতন্ত্র বিশ্বসেরার মর্যাদা পেয়েছে বলে মনে করেন তিনি। সমগ্র দেশের জন্য এনারা গৌরবের বলে জানিয়েছেন তিনি।

শাহ আরো বলেন, নরেন্দ্র মোদি যখন ২০১৪ সালে ভারতের শাসন ক্ষমতায় আসীন হন, তখন অর্থণীতিতে বিশ্বে ১১ নম্বর স্থানে ছিল। কিন্তু ন’বছর পর তা কয়েক ধাপ অতিক্রম করে পঞ্চম স্থানে উঠে আসে। অনেক বিদেশি সংস্থাও এখন ভারতের অর্থনীতির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে। শুধু অর্থনৈতিক নয়, সীমান্ত রক্ষাতেও অসামান্য দক্ষতার নজির দেখিয়েছে ভারত। যার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব প্রাপ্য প্রধানমন্ত্রীর।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে মোদি স্তুতি বল্গাহীন বলেই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা। মহাত্মা গান্ধির ত্যাগ ও অহিংসার আদর্শ, সকলকে নিয়ে একসাথে চলবার চিন্তা তা  বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর শাসনকালে মৌখিক  ভাষণে পরিণত হয়েছে মাত্র। প্যাটেলের ঐক্যভাবনাও বর্তমান শাসক দলের কর্মপদ্ধতিতে অনুপস্থিত। মোরারজি দেশাই যে গণতন্ত্রকে পুনঃস্থাপনের জন্য স্বৈরাচারী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়লেন আজ তারই নির্বোধ উল্লাস শোনা যাচ্ছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে একাসনে বসিয়ে  দেশ বিদ্যমান সংকট থেকে মুক্তি পাবে কি ?

 


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!