Advertisement
  • দে । শ
  • জুলাই ২৩, ২০২৪

ফের বিতর্কে কালনার পুরপ্রধান, দলেরই নেতাকে গালিগালাজ ও হুমকি অডিও ভাইরাল

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ফের বিতর্কে কালনার পুরপ্রধান, দলেরই নেতাকে গালিগালাজ ও হুমকি অডিও ভাইরাল

বিতর্ক আর কালনার পুরপ্রধান আনন্দ দত্ত যেন সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কালনার রাজবাড়ি চত্বরের নিরাপত্তারক্ষীকে ধাক্কাধাক্কি, হেনস্থা-সহ পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের আধিকারিক ও কর্মীদের হুমকিতে আগেই নাম জড়িয়েছে পুরপ্রধানের। তাঁর বিরুদ্ধে পুরাতত্ত্ব বিভাগের তরফে কালনা থানায় এফআইআর দায়েরও হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বও রাজবাড়ির ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে আনন্দবাবুকে চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই ঘটনার জের কাটতে না কাটতেই ফের অশ্রাব্য ভাষা-সহ হুমকি ফোনের একটি অডিও ভাইরালকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল কালনায়। দলেরই এক নেতাকে উদ্দেশ্য করে পুরপ্রধানের হুমকির ঘটনায় তুঙ্গে বিতর্ক। ভাইরাল হওয়া অডিওটি কালনার পুরপ্রধান আনন্দ দত্ত ও কালনা শহর তৃণমূল কংগ্রেসের নমঃশূদ্র সেলের সভাপতি তন্ময় দাসের কথোপকথন (অডিওটি সত্যতা যাচাই করেনি আরম্ভ ওয়েব পোর্টাল)।

২ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের ওই অডিওটিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালিখি নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি সাবমার্সিবল বসানো নিয়ে দুজনের মধ্যে বচসা ও একাধিক অশ্লীল শব্দই শুধু নয়, হুমকি দিতেও শোনা গিয়েছে পুরপ্রধানকে। যদিও অডিওটি ‘সত্য ও ২০২৩ সালের ঘটনা’ বলে দাবি তন্ময় দাসের। শহর তৃণমূলের নমঃশূদ্র সেলের সভাপতি তন্ময় দাস জানান, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া অডিওটি আমার সঙ্গেই কথোপকথন। এটা সত্য। সাবমার্সিবল বসানো নিয়ে আমার সঙ্গে পুরপ্রধান আনন্দ দত্তর বচসা হয়। উনি বেআইনিভাবে সাবমার্সিবল বসাচ্ছিলেন। প্রতিবাদ করাতে উনি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।’ তিনি আরও জানান, ‘পুরপ্রান শুধু আমার সঙ্গে নয়, সাধারণ মানুষকেও কারণে-অকারণে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। দুর্ব্যবহার করেন। বছরখানেক আগে কীর্তন গাইতে আসা কয়েকজনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, একজনকে মেরে নাক ফাটিয়ে দেন।’ এছাড়াও ১০ গুণ মিউটেশন ফি বাড়ানো, সময়ে পুরসভায় না আসা, নাগরিক পরিষেবা না দেওয়ার ব্যাপারেও প্রশ্ন তুলে পুরপ্রধানকে কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। ঘটনার কথা তন্ময়বাবু দলীয় নেতৃত্বকেও জানিয়েছিলেন। যদিও পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ যে এই প্রথম তা কিন্তু নয়। এর আগেও দলের কয়েকজন কাউন্সিলর ও কালনা শহর তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় পুরপ্রধানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ভূরিভূরি অভিযোগ সম্পর্কে কোনও প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন না পুরপ্রধান আনন্দবাবু। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা দূরে থাক, ফোনও ধরছেন না।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!