Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • মার্চ ৫, ২০২৬

রাজ্যসভার মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা রাজীব, মেনকা, কোয়েল ও বাবুলের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
রাজ্যসভার মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা রাজীব, মেনকা, কোয়েল ও বাবুলের

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিধানসভায় এসে রাজ্যসভার মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাংলার প্রার্থীরা। এদিন দুপুরে বিজেপির প্রার্থী রাহুল সিনহা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের চার প্রার্থী—বাবুল সুপ্রিয়, কোয়েল মল্লিক, রাজীব কুমার এবং মেনকা গুরুস্বামী বিধানসভায় গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের মনোনয়ন জমা দেন।

মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রার্থীরা। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক অভিজ্ঞ মন্ত্রীও। তৃণমূলের চার প্রার্থীর মধ্যে রাজনৈতিক ক্ষেত্রের বাইরে থেকে এসেছেন তিনজনই। রাজ্যের প্রাক্তন ডিজিপি রাজীব কুমারের সঙ্গে কিছুটা রাজনৈতিক যোগাযোগ থাকলেও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক এবং আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী সম্পূর্ণ ভিন্ন পেশাগত জগতের মানুষ। শাসকদলের তরফে রাজ্যসভায় যাওয়ার সুযোগকে তাঁরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে দেখছেন।

আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী বলেন, তিনি সংবিধান মেনে কাজ করার পক্ষে—সেটা সংসদ হোক বা আদালত। তাঁর কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে রাজ্যসভায় যাওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। তাঁদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সংবিধান মানুষের সমানাধিকার নিশ্চিত করে। সেই সমানাধিকারের জন্য লড়াই করার সুযোগ আমি সংসদের উচ্চকক্ষে পেলাম।” অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকও দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ। আমি সব সময় মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছি। সেই সুযোগ এবং দায়িত্ব এবার আমি পেলাম।”
রাজ্যের প্রাক্তন ডিজিপি রাজীব কুমার নিজের প্রতিক্রিয়ায় স্মরণ করেন মাদার টেরিজাকে। তিনি বলেন, “এটা আমার জন্য খুব বড়ো সম্মান। আমি আগেও বলেছি, মাদার টেরিজার একটি কথা মনে পড়ে—আমি যার যোগ্য, আমি তাই পেয়েছি। এই জায়গায় সুযোগ দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ।”

অন্যদিকে তৃণমূলের আরেক প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় রাজনীতিতে আগেই অভিজ্ঞ। তিনি দু’বার লোকসভার সাংসদ এবং একবার বিধায়ক ছিলেন। এবার তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন তিনি। মনোনয়ন জমা দিয়ে বাবুল বলেন, “ভোটে জিতে এসে কাজ করা একটা প্রিপেড ব্যবস্থার মতো—আগে ভোটে জিততে হয়, তারপর মানুষের জন্য কাজ করা যায়। আগে গানের অনুষ্ঠানের জন্য রিকোয়েস্ট আসত, সেখানে পারফর্ম করতাম। পরে লোকসভায় জিতে মানুষের কাজ করা শুরু করি, মানুষের অনুরোধ নিয়ে পারফর্ম করি। এরপর মন্ত্রিসভায় কাজ করেছি। এখন আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমার উপর ভরসা করেছেন। মানুষের জন্যই পারফর্ম করব।” রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর চারজনই স্পষ্ট করে দিয়েছেন—সংসদের উচ্চকক্ষে গিয়ে মানুষের স্বার্থ ও সমানাধিকারের প্রশ্নে কাজ করাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!