- এই মুহূর্তে দে । শ
- মার্চ ২৮, ২০২৩
ডোকলাম ঘিরে চিনের হয়ে সওয়াল ভুটানের । শেরিং এর মন্তব্যে উদবিগ্ন নয়াদিল্লি
ডোকলাম ইস্যুতে ভারত চিন সীমান্ত উত্তেজনার ছয় বছর পর ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে আবারও বাড়লো জলঘোলা। এপ্রসঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে্ শেরিং বলেছেন,ডোকলাম নিয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে সমানাধিকার চিনেরও রয়েছে।যদিও নয়াদিল্লির অভিমত ভিন্ন। তাই দুই দেশের মধ্যের সমস্যা সমাধানে রফাসূত্র খুঁজতে চায় শেরিং এর সরকার।
এব্যাপারে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমরা তৈরি আছি, অন্য দুই পক্ষ ভারত ও চিন সহমত হলেই আলোচনার টেবিলে বসা যাবে। কোনও দেশই ছোট বড়ো নয়। ভারত, চিন ও ভুটান – তিন দেশই সমান।ভুটানের প্রধানমন্ত্রী এও বলেছেন, থিম্পু ডোকলামের ত্রিজংশনের স্ট্যাটাস নিয়ে আলোচনার টেবিলে ভারত, চিনের সঙ্গে বৈঠকে মধ্যস্থতা করতে রাজি।
দশকের পর দশক ধরে ত্রিজংশনের এই কেন্দ্র আন্তর্জাতিক মানচিত্রে বাটাং লা হিসেবে চিহ্নিত। বাটাং লা-এর উত্তরে চিনের চুম্বি উপত্যকা, দক্ষিণে ও পূর্বে ভুটান আর পশ্চিমে ভারত। চিন চায়, ত্রিজংশনটি বাটাং লা-এর দক্ষিণ দিকে আরও সাত কিলোমিটার সরিয়ে নিতে। ভারতীয় সেনা চিনের এই পদক্ষেপ নিয়ে বরাবরই বিরোধিতা করেছে।চিন এই কূট কৌশলে সফল হলে একসময় গোটা ডোকলামকে নিজের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করবে। চিনের এই দখলদারি নীতিরই বিরোধীতা করেছে নয়াদিল্লি ।
২০১৭ সালে ডোকলামে ভারতীয় সেনার সঙ্গে চিনা লাল ফৌজের অশান্তি বাধে।চিন মাউন্ট জিপমোচি এবং সংলগ্ন এলাকায় বেআইনিভাবে রাস্তা নির্মাণের কাজ করছিল, তাতে বাধা দিয়েছিল ভারত। যদিও ডোকলামের ওপারে ২০২০ সালেই চিন রাস্তা তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করে ফেলেছে।যা চিন-সিকিম সীমান্ত লাগোয়া। ভারতীয় সেনার অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল প্রবীণ বকশি এবিষয়ে জানিয়েছেন, পশ্চিম ভুটানে ঢুকে পড়ে চিন এখন লাগাতারভাবেই নির্মাণের কাজ চালাচ্ছে।ভারতের পক্ষে, জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে যা উদ্বেগজনক।
চিন বন্ধুর ছদ্মবেশে ক্রমশই নিজেদের ক্ষমতা প্রসারিত করছে ভূটানে। এপ্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমেও প্রতিনিয়ত আলোচনা হচ্ছে।যদিও এপ্রসঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটা ভিত্তিহীন প্রচার। অনধিকার প্রবেশের কোনও ঘটনাই ঘটেনি সেখানে।
❤ Support Us






