- এই মুহূর্তে দে । শ
- নভেম্বর ৭, ২০২৫
নাদনঘাটের বুথ সভাপতির দুটো এপিক, মানলেন পদ্ম নেতা । প্রতিবাদ তৃণমূলের
বিজেপির বুথ লেভেল এজেন্টের ২টি এপিক থাকার ঘটনায় নাদনঘাটে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। নাদনঘাটের নসরৎপুরে ১১৭নং বুথের দায়িত্বে থাকা বিজেপির বিএলএ গৌরাঙ্গ হালদারের দুটি আলাদা এপিক কার্ড থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ছড়াল চাঞ্চল্য। বিষয়টি কবুল করেছেন গৌরাঙ্গবাবু। বললেন, ‘জানি না কী করে দুটো নম্বর হয়েছে। ২০২৪-র তালিকায় নাম ছিল না। ২০২৫-র তালিকায় নাম যোগ করার সময় মনে হচ্ছে গণ্ডগোলটা হয়েছে।’ ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে তৃণমূল।
নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে। দলের সংশ্লিষ্ট পূর্বস্থলী ১নং ব্লক সভাপতি রাজকুমার পাণ্ডের কথায়, ‘এতো দেখছি ভূত নিয়ে ঘুরছেন বুথ লেভেল অফিসার। বিজেপির একজন এজেন্টের দুটো এপিক নম্বরের ঘটনায় বিজেপির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আঁতাঁত প্রমাণিত।’
এদিকে এসআইআর-র কাজে নিযুক্ত ৩ বিএলও (বুথ লেভেল অফিসার)-র বাবা ও মায়ের নাম নেই ২০০২-র ভোটার তালিকায়। ওই ৩ বিএলও কালনার পূর্ব সাহাপুর প্রাথমিকের শিক্ষক উৎপল কুমার বিশ্বাস, শ্বাসপুর রামকৃষ্ণপল্লী প্রাথমিকের শিক্ষক লিটন রায় ও হাঁসপুকুর প্রাথমিকের শিক্ষক সুমন শীলরা বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে এনেছেন। লিটনের বিস্ময়, ‘১৯৯৩ বা তার আগের ভোটার লিস্টেতো মা-বাবার নাম ছিল। কীভাবে বাদ গেল সেটাইতো বুঝতে পারছি না।’ আর নাম বাদ দেওয়ার পিছনে ‘চক্রান্তের গন্ধ’ পাচ্ছেন সুমনবাবু। জানালেন, ‘২০০২-র আগে ও পরের ভোটার লিস্টে মা-বাবার নাম আছে। মনে হচ্ছে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে কেউ এই কাজ করেছে।’ তবে প্রশাসন সূত্রের খবর, যেহেতু ২০০২-র আগের বা পরের ভোটার তালিকায় নাম আছে, তাই নাগরিকত্ব প্রমাণে কোনো সমস্যা হবে না। ২০০২-র ভোটার তালিকায় নাম নেই কাটোয়া বিধানসভার ২২নং বুথের বিএলও দায়িত্বপ্রাপ্ত আকাশ বাগচির বাবা চিত্ত বাগচি ও মা কুমুদী বাগচির। কাটোয়া ১নং ব্লকের খাজুরডিহি গ্রাম পঞ্চায়েতের বেড়া দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা আকাশ বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে এনেছেন। বললেন, ‘আমরা এখানকার স্থায়ী বাসিন্দা। আশা করি প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’
উল্লেখ্য যে, ভোটার তালিকা পরীক্ষা ও এসআইআর পরিচালনার জন্য পূর্ব বর্ধমান জেলাজুড়ে ৪,৪২১ জন বুথ লেভেল অফিসার নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। তাদের ভূমিকা সম্পর্কে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।
❤ Support Us






