Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • এপ্রিল ১৪, ২০২৩

কর্ণাটকে বাড়ল পদ্মের অস্বস্তি। কংগ্রেসে লিঙ্গায়েতের লক্ষণ

পদ্মত্যাগ ব্যাপক প্রভাব ফেলবে আসন্ন ভোটে। আবার কি জোট সরকার 'শিল্প শাসিত' রাজ্যে ?

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কর্ণাটকে বাড়ল পদ্মের অস্বস্তি। কংগ্রেসে লিঙ্গায়েতের লক্ষণ

কর্ণাটকে বিজেপির উপদলীয় ভাঙন আর কোন্দল থামছে না। জেপি নাড্ডার হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও টিকিট পেলেন না প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী লক্ষণ সেভাদি। দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকায় নাম নেই তাঁর। এরকম বঞ্চিত অনেকেই। সবাই জোট পাকাচ্ছেন , কিংবা কেউ কেউ চুপ করে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন। কিন্তু লক্ষণের তর সইল না। আজ সকালেই তিনি প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান আর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়ার সঙ্গে এক প্রস্থ কথা বলে কংগ্রেসেই যোগ দিলেন। তিনি বিজেপি ছেড়েছেন বুধবার। বিজেপি থেকে তাঁর পদত্যাগ আর কংগ্রেস যোগ আসন্ন বিধানসভা ভোটে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে । বিজেপি দলত্যাগের স্রোত রুখতে চাইছে। এতে কতটা ফায়দা হবে, তা অনিশ্চিত। এনডিটিভি বলেছে, কংগ্রেস তাঁকে প্রার্থী করতে পারে। কারণ তিনি অভিজ্ঞ রাজনীতিক ও জনপ্রিয় লিঙ্গায়েত নেতা। বয়স ৬৩। তিনবারের বিধায়ক। প্রভাবশালী যেমন গ্রামীণ এলাকায়, তেমনি শহরে আর নগরে। বুধবার বিজেপির সব সদস্যপদে ইস্তফা দিয়েই লক্ষণ বলেছিলেন, আমি টিকিটের জন্য কারও কাছে তদারকি করব না, নিজেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান শিবকুমার নিশ্চুপ। ধরা-ছোঁওয়ার বাইরে।

কংগ্রেস স্বাভাবিকভাবেই খুশি। তাদের নির্বাচিত জোট সরকারকে ভেঙ্গে দেওয়ার প্রতিশোধ নিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ২০১৮ সালের নির্বাচনে লক্ষণ কংগ্রেস প্রার্থী মহেশ কুমাথাহালির কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এবার কংগ্রেসের হাত নিয়েই লড়বেন। কংগ্রেস-জেডিএস-এর জোট সরকারের পতনের পর বিজেপি তাঁকে উপমুখ্যমন্ত্রীর আসন উপহার দিয়েছিল। এরপর সে আসনে, ভোটের আগেই শূন্যতা তৈরি করে গেরুয়া শিবিরের কোমরে কোপ বসালেন সরাসরি। খ্যাতিমান নেতা তাঁর রাজনীতি যাপন নানা কীর্তিতে পূর্ণ। ২০১২ সালে তাঁকে নিয়ে বিধানসভার ভেতরে ও বাইরে যে তুমুল বিতর্ক হয়েছিল, সে স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে কি সময় নেবে বিজেপি? মনে হয় না।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!