Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • আগস্ট ১৭, ২০২৩

বিধানসভায় যাদবপুরের হিসেব বুঝে নেব, যুব মোর্চার সভা থেকে শাসককে আক্রমণ শুভেন্দুর, সরব বামেদের বিরুদ্ধেও

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
বিধানসভায় যাদবপুরের হিসেব বুঝে নেব, যুব মোর্চার সভা থেকে শাসককে আক্রমণ শুভেন্দুর, সরব বামেদের বিরুদ্ধেও

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিজেপি যুব মোর্চার সভা থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বামপন্থীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আগামী সপ্তাহে ১০ হাজার লোক নিয়ে যাদবপুর অভিযানে যাবো। টুকরে টুকরে গ্যাঙকে উৎখাত করব। আগামী সপ্তাহে সোমবার বিধানসভা শুরু হবে। মঙ্গলবার বিধানসভায় রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর থাকবেন। আমরা ওই দিন হিসাব বুঝে নেব। অ্যাকশন টেকেন কমিটি কি করল ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় তা জানতে চাইব। কেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সিসি টিভি বসেনি জানতে চাইব। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর এর জবাব দিতে হবে।”

শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, “ধৃত সৌরভ চৌধুরীর কিছুদিন আগে ফেসবুক পোস্ট দেখলে দেখা যাবে সে লিখেছে আমরা নাকি ডাব্লুবিসিএস পরীক্ষায় বাংলা আটকাতে চাই। এরা বাংলা পক্ষের নামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে গত ভোটে নো ভোট টু বিজেপি প্রচার করেছে। এরা সব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বি-টিম। এদের আর এক বড় নেতা তন্ময় ঘোষ। বড় চাকরি করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে গাড়ি দিয়েছেন। এদেরই আর একজন সামিরুল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদের দিয়ে ভোট ক্যাপচার করেন।”

এরপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এই ক্যাম্পাসে নাকি বন্দে মাতরম চলে না। চিন এদের বাবা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদের অভিভাবক। এই টুকরে টুকরে গ্যাংকে তুলে দেব। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেমন সব সরানো হয়েছে। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ তুলে দেওয়ার পর মেহেবুবা মুফতি, ওমর আবদুল্লার যেমন অবস্থা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তেমন অবস্থা করে ছাড়ব। আগামী সপ্তাহে ১০ হাজার লোক নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় অভিযান হবে। আমি থাকব সামনে।”

আগামীকাল দুপুরে নদিয়ায় মৃতছাত্রের বাড়ি যাবেন শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপির প্রতিনিধি দল। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি মৃতছাত্রের বাবার কাছে আবেদন রাখব। বলব, ক্যাম্পাসে যারা ব়্যাগিং করে, মাদক সেবন করে তাদের এবং রেজিস্ট্রার যাতে সাজা পান সেই লক্ষ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। মৃতছাত্রের পরিবার যদি সাথ দেন তাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবো।”

এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন বলে দিয়েছে মৃত ছাত্রের ছবি দেখানো যাবে না, নাম উচ্চারণ করে কোনও বক্তব্য রাখা যাবে না। অথচ রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু নদিয়ায় মৃতছাত্রের বাড়ি গিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় মৃতছাত্রের নাম উচ্চারণ করেছেন। আমি সুদেষ্ণাদেবীকে বলছি আপনি যদি ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধে এই নির্দেশ ভঙ্গ করার জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেন তাহলে বিধানসভার অধিবেশনে আমরা মৃতছাত্রের ছবি গলায় ঝুলিয়ে যাবো, মুখে নামটিও উচ্চারণ করব। সবার জন্য এক নিয়ম আর তৃণমূলের জন্য আলাদা নিয়ম, এসব চলবে না।”


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!