- এই মুহূর্তে দে । শ
- ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫
কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র মৃত্যু ! হোস্টেল থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ
রাজ্যে একের পর মেডিক্যাল ছাত্রের রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় শিক্ষাব্যবস্থার পরিকাঠামো প্রশ্নের মুখে। এবার কোচবিহারের জে এম এন মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেলে মিলল ডাক্তারি পড়ুয়ার ঝুলন্ত দেহ। প্রাথমিক তদন্তে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে মনে করছে পুলিশ ও কলেজ কর্তৃপক্ষ।
বুধবার রাতে কলেজ হোস্টেলের ৩০৪ নাম্বার রুম থেকে আত্মঘাতী যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। ২৬ বছরের কিশান কুমার বিহারের বেগুসরাই জেলার জেলার বাসিন্দা। তাঁর রহস্যময় মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কেন এরকম সিদ্ধান্ত নিলেন ওই তরুণ! কারো কাছে সদর্থক কোন উত্তর মেলে নি। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে জানান যাচ্ছে সম্পর্কঘটিত কারণে দীর্ঘদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন ওই যুবক। সে কারণেই আত্মহত্যার মতো চুড়ান্ত সীদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা। তবে এর পিছনে অন্য কোনো কারণ থাকবার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না, নিহত পড়ুয়ার শোকাহত বন্ধুমহল। ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয় নি। র্যাগিং বা অন্য কোনো অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন কি না, পুলিশকে সে বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রশাসনের তরফে কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এম জে এন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপাল নির্মলকুমার মণ্ডল জানিয়েছেন, ‘খুবই দুঃখজনক ঘটনা। কিশানের বাড়ির লোককে খবর দেওয়া হয়েছে।’
এর আগেও, ২০২২ সালে কোচবিহারের মহারাজা জিতেন্দ্রনাথ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি পড়তে গিয়ে আত্মঘাতী হন বর্ধমানের এক ছাত্রী। সে সময় নিহত ছাত্রীর মা-বাবার অভিযোগ ছিল ভয়াবহ র্যাগিংয়ের কারণেই এমন সীদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তাঁদের মেয়ে। প্রশ্ন উঠেছিল শিক্ষাক্ষেত্রে পরাশোনার পরিবেশ নিয়েও। আজও সেই ঘটনার কোনো মীমাংসা হয় নি। একদিকে পরাশোনার চাপ অন্যদিকে মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের কবলে পড়ে ডিপ্রেসনের শিকার হচ্ছেন পড়ুয়ারা। অপমান, লাঞ্ছনা সহ্য করতে না পেরে তাঁরা শেষপর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।
❤ Support Us







