- এই মুহূর্তে দে । শ
- সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
ওয়াকফ আইন নিয়ে প্রতিবাদে অশান্তি, পুজোর আগেই ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
‘ওয়াকফ সংশোধনী আইন ২০২৫’–এর প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিল মুর্শিদাবাদ। দুই গোষ্ঠীর গণ্ডগোলে অশান্তির আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল শামসেরগঞ্জে। পুড়েছিল বাড়িঘর, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল অনেকেই। পুজোর আগেই ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই ব্যাপারে এক সপ্তাহের মধ্যেই আদালতে বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে রাজ্য সরকারকে।
বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। শুনানি শেষে বেঞ্চ জানিয়েছে, পুজোর আগে যাতে ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপুরণের টাকা পায় সেই ব্যাপারে রাজ্যের পদক্ষেপ করা উচিত। এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের শামসেরগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আপাতত কেন্দ্রীয় বাহিনীর ক্যাম্প রাখার কথাও জানিয়েছে আদালত। এক সপ্তাহ পর আবার মামলার শুনানি হবে।
রাজ্য সরকারের আইনজীবী বৃহস্পতিবার আদালতকে জানান, সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ মুল্যায়ন করে রাজ্য সরকারকে এখনও পর্যন্ত কোনও রিপোর্ট দেওয়া হয়নি। এরপরই বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরির ডিভিশন বেঞ্চ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ মুল্যায়নের কপি অবিলম্বে রাজ্যকে দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
শামসেরগঞ্জের দুই গোষ্ঠীর গোলমাল, গুলি, বোমা, খুনের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন পারুল দাস নামে এক ব্যক্তি। এই মামলায় এনআইএ–র ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরির ডিভিশন বেঞ্চ। বেঞ্চের বক্তব্য, হাইকোর্ট বারবার বলা সত্ত্বেও এই মামলার তদন্তভার নিতে এগিয়ে আসেনি এনআইএ। তবে, এনআইএ, নাকি কেন্দ্রীয় সরকার, এই ব্যাপারে কে সিদ্ধান্ত নেবে, সে বিষয়ে নাক গলাতে চাইছে না কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানিতে রাজ্যকে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ২০ নভেম্বর।
❤ Support Us







