- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ১৮, ২০২৩
স্বস্তিতে অভিষেক। চাপের মুখে সিবিআই। এখনই জেরা নয়, চিঠি দিয়ে জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা
খানিকটা স্বস্তিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনই সিবিআইয়ের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে না তাকে । আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে শমন জারি করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। প্রবল বিতর্কে মুখে পড়ে সিবিআই মঙ্গলবার জানিয়েছে, তাকে পাঠানো হাজিরার নোটিশ শীর্ষ আদালতের রায়ে আপাতত স্থগিত রাখা হল। পরবর্তী রায় না আসা পর্যন্ত তাঁকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের সামনে হাজিরা দিতে হবে না বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।
বস্তুত, কুন্তলের চিঠির সূত্র ধরে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের অভিষেককে জেরা করবার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি। যার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যান তৃণমূলের সাংসদ। শীর্ষ আদালত হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দিলেও, সোমবার পৌনে ২টো নাগাদ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার নোটিস অভিষেকের কাছে পৌঁছে যায়। ডায়মণ্ড হারবারের সাংসদ জানান, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে নিয়োগ -দুর্নীতি মামলায় টার্গেট করা হয়েছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা তাঁকে ডেকে পাঠিয়ে হেনস্থা করতে চাইছেন। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে তিনি আদালত অবমাননার মামলা করতে পারেন। এর পরেই নড়েচড়ে বসে গোয়েন্দা সংস্থার দিল্লির প্রধান কার্যালয়। কলকাতার আধিকারিকদের কাছে তাঁরা জানতে চান, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও কেন সমন জারি করা হল ? জবাবে কলকাতা শাখার অফিসাররা জানান, এসম্পর্কে কোন খবর তাঁদের কাছে না থাকায় ভুল হয়েছে। কলকাতার অফিসারদের ব্যাখ্যা পাওয়ার পর,তৃণমূল সাংসদকে জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব আপাতত স্থগিত রাখার চিঠি পাঠানো হয়।
নিয়োগ- কেলেঙ্কারিতে উঠে আসছে একের পর এক নাম। তৃণমূল সাংসদ জড়িত কিনা তা তদন্ত সাপেক্ষ। তবে যেভাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় , মানিক ভট্টাচার্য ও জীবনকৃষ্ণ সাহা সহ একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী,বিধায়করা ধরা পড়ছেন, তাতে মা মাটির দল যথেষ্ট বেকায়দায়। মুখ্যমন্ত্রী নিজের জনদরদী ও সংগ্রামী ভাবমূর্তিকে হাতিয়ার করে পরিস্থিতিকে সামলাতে চাইছেন। বিরোধীরা নিয়োগ দুর্নীতিকে ইস্যু করে পঞ্চায়েতে নামতে চাইছেন। সেক্ষেত্রে ব্যক্তি মমতা ও বাম কং জোট ও বিজেপির সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। অতীতে এমন অনেক কঠিন লড়াই সাফল্যের সঙ্গে উতরেছেন মমতা। কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ দল আসন্ন নির্বাচনে দলনেত্রীর ভাবমূর্তিকে পুঁজি করে বরবারের মতো বিজয়ী মুকুট মাথায় পরে নেবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
❤ Support Us






