Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জানুয়ারি ৮, ২০২৬

১ এপ্রিল থেকে শুরু জনগণনার প্রথম পর্ব, সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় হবে আদমশুমারি

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
১ এপ্রিল থেকে শুরু জনগণনার প্রথম পর্ব, সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় হবে আদমশুমারি

কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৭ সালের জনগণনার দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে। বুধবার জারি করা একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আসন্ন জনগণনা হবে দুই পর্বে। প্রথম পর্বের কাজ শুরু হবে চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে এবং চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই ধাপে মূলত বাড়ির তালিকা প্রস্তুত ও গৃহসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে, যাকে বলা হচ্ছে হাউসিং এনলিস্টিং।

দ্বিতীয় পর্বে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হবে, যা পরিচিত পপুলেশন এনুমারেশন নামে। কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই দ্বিতীয় দফার জনগণনা শুরু হতে পারে ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে।

২০২৭ সালের আদমশুমার হবে ভারতের ১৬তম জনগণনা এবং স্বাধীনতার পর এটি হবে অষ্টম জনগণনা। গোটা প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে ১৯৪৮ সালের জনগণনা আইন এবং ১৯৯০ সালের জনগণনা বিধি অনুযায়ী। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই প্রথম গোটা দেশে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা করা হবে।

প্রথম পর্বে প্রতিটি বাড়ির তালিকা তৈরি করা হবে এবং বাড়ির সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। দ্বিতীয় পর্বে নাগরিকদের সংখ্যা, সামাজিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২টি রাজ্যে এসআইআর (SIR)-এর কাজ চলছে। এর মধ্যেই কেন্দ্র জানাল, এপ্রিল মাস থেকেই শুরু হবে জনগণনার প্রথম ধাপ। যদিও এই ঘোষণার পর প্রশ্ন উঠেছে ভোটের মরশুমে জনগণনার কাজ নিয়ে। স্বাভাবিক নিয়মে ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। সে ক্ষেত্রে ভোট চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। কারণ ভোট প্রক্রিয়ায় এমনিতেই প্রশাসনের বড় অংশ ব্যস্ত থাকে, তার উপর জনগণনার অতিরিক্ত চাপ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে যে কোনও একটি সময়ে টানা ৩০ দিন ধরে বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে। কোন রাজ্যে কখন এই কাজ হবে, তা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের স্থানীয় প্রশাসন ঠিক করবে। ফলে যেসব রাজ্যে ভোট রয়েছে, সেখানে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেও জনগণনার প্রথম পর্বের কাজ সম্পন্ন করা যেতে পারে।

এছাড়া, এই ৩০ দিনের তথ্য সংগ্রহ শুরুর আগে সাধারণ মানুষকে ১৫ দিনের একটি সময়সীমা দেওয়া হবে, যাতে তারা এনুমারেশনের মাধ্যমে নিজেদের ঠিকানা ও প্রাথমিক তথ্য প্রশাসনকে জানাতে পারেন। সব মিলিয়ে, বিবৃতি প্রদান থেকে শুরু করে জনগণনার প্রথম পর্ব সম্পূর্ণ করতে প্রতিটি রাজ্যকে অন্তত দুই মাস সময় দিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!