Advertisement
  • দে । শ
  • জুন ১৭, ২০২৩

স্মৃতি থেকে বাদ নেহেরু! রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ কংগ্রেসের। দেশের সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর অবদানকে ন্যায্য স্বীকৃতি, পাল্টা দাবি কেন্দ্রের

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
স্মৃতি থেকে বাদ নেহেরু! রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ  কংগ্রেসের।  দেশের  সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর অবদানকে ন্যায্য স্বীকৃতি,  পাল্টা দাবি কেন্দ্রের

বাদ গেলেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। তবে, এবার বই থেকে নয়, জওহরলাল নেহেরুর স্মৃতি বিজড়িত নেহেরু মিউজিয়াম থেকে । কেন্দ্র স্থির করেছে , প্রতিষ্ঠানের নাম বদলে রাখা হবে প্রাইম মিনিষ্টার’স মিউজিয়াম এণ্ড লাইব্রেরী সোশাইটি। সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধীরা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপ্রসূত মানসিকতা থেকে এ পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

তিনমূর্তি ভবনে অবস্থিত নেহেরু সংগ্রহশালাটির সংস্কারের কাজ শেষ হওয়ার পর গত বছর তার উদ্বোদন করেন নরেন্দ্র মোদি। সে সময় প্রধানমন্ত্রীর সংগ্রহশালা নামেই তাঁর ফিতে কাটেন তিনি। বলা দরকার, প্রতিষ্ঠানের নাম বদল নিয়ে বহু দিন ধরেই সরব বিজেপি সরকার। ২০১৬ সালে দেশের সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিকর্ম এখানে জড়ো করে, তাঁর নাম পাল্টে প্রধানমন্ত্রী সংগ্রহশালা করবার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ভারতের বর্তমান শাসক দল। বৃহস্পতিবার সেই ভাবনাই বাস্তবায়িত হল। ঐ দিন এই সংগ্রহশালার নাম বদলের প্রস্তাব নিয়ে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলে আলোচনা করা হয়। সেখানে নাম বদলের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন কাউন্সিলের সদস্য নৃপেন্দ্র মিশ্র। পরে তা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কাছে পাঠানো হলে তিনিও তাতে সম্মতি ফন।

পর্ষদ জানিয়েছে, ব্রিটিশ পরবর্তী ভারতে দেশ গঠনে প্রত্যেক প্রধানমন্ত্রীর অবদান রয়েছে। তাই এ প্রতিষ্ঠানের নাম পাল্টে দেশের প্রত্যেক ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী কে সম্মান জানাতে চান তারা।। প্রতিরকক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও এ ব্যাপারে নিজের সমর্থন জানিয়েছেন । কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের কড়া নিন্দা করা হয়ছে। তুইট বার্তায় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়রাম রমেশ বলেছেন, গ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। প্রতিহিংসার রাজনীতি করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই কারণেই নেহরুর নাম মুছে দিতে চাইছেন তিনি।

প্রায় ৬০ ছুঁই ছুঁই নেহেরু মিউজিয়ামে রয়েছে অসংখ্য বই। আগ্রহী পাঠকরা সেখানে বসে পড়তে পারেন। ১৯৬৪ সালে প্রধানমন্ত্রী জওহরলালের মৃত্যুর পর ১৯৬৪ সালে তাঁর মৃত্যুর কয়েক মাস পরে রাষ্ট্রপতি এস রাধাকৃষ্ণান তাঁর ৭৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নেহরু মেমোরিয়াল মিউজিয়ামের উদ্বোধন করেছিলেন।প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা দেখার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এনএমএল সোসাইটি । দু বছর আগে তাঁর সদস্য পদেও ব্যাপক রদবদল ঘটান হয়েছিল। মল্লিকার্জুন খাড়গে, জয়রাম রমেশ ও করণ সিং-এর পরিবর্তে  নির্মলা সীতারমন, রমেশ পোখরিয়াল, প্রকাশ জাভড়েকর, ভি মুরালীধরন ও প্রহ্লাদ সিং প্যাটেলকেও সদস্য হিসাবে । পরে  সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সোসাইটির চেয়ারপার্সন ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে এর ভাইস প্রেসিডেন্ট করা হয়েছে। অন্যান্য ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা যেমন সোস্যাইটিতে আনা হয়েছে।  সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ঐতিহ্যশালী জায়গা, সড়ক পথ স্টেশনের নাম বদল করছে সরকার। সেই তালিকাতে এবার চলে এলেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!