Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • জানুয়ারি ৬, ২০২৬

এসআইআর শুনানিতে গিয়ে জন্মদিন পালন শতায়ু ছাপিয়ার

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
এসআইআর শুনানিতে গিয়ে জন্মদিন পালন শতায়ু ছাপিয়ার

এমনই এক শীতের দিনে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন ছাপিয়া বিবি। ১০১ বছর আগে। আবিষ্কার করলেন নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা। শুনানিতে ডাক পাওয়ার পর বয়সজনিত কারণে অফিসে যেতে পারবেন না বলে ‘বাড়িতে শুনানির বন্দোবস্ত’ করার আর্জি জানান ছাপিয়ার পরিবারের সদস্যরা। আর্জি মঞ্জুর হয়। কালনার উত্তর গোয়ারার বাসিন্দা ছাপিয়া বিবির বাড়িতে হাজির হন কালনা ১নং ব্লকের সরকারি আধিকারিক বিকাশচন্দ্র বাগের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। তাঁরা নথিপত্র ঘেঁটে দেখেন, ঠিক ১০১ বছর আগে ১৯২৫ সালে জন্মান ছাপিয়া। সঙ্গে সঙ্গে বাজার থেকে কেক আনিয়ে কেটে ছাপিয়া-সহ বাড়ির লোকজনদের খাইয়ে বাড়ির উঠোনেই জন্মদিন পালন করলেন নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা। ঘটনাটি জেনে খুশি কালনার মহকুমাশাসক অহিনসা জৈন। বললেন, ‘প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের তরফে ওই শতায়ু মহিলাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। ওনার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছে রইল।’

শীতের চোট আর বয়সের ভারে তক্তাপোষ থেকে নামতে পারেন না ছাপিয়া। মশারি খাটানোই থাকে। তার মধ্যেই নাওয়া-খাওয়া সবকিছু। মশারির ভিতরেই শুনানির সওয়াল-জবাব হয়। এই বয়সেও সমস্ত প্রশ্নের ঠিকঠাক জবাব পেয়ে খুশি কমিশনের প্রতিনিধিরা। ছাপিয়ার জ্ঞান যে টনটনে তার আরও প্রমাণ মিলল কমিশনের প্রতিনিধিরা বাড়ি থেকে বেরনোর সময়। কাঁপা কাঁপা গলায় বললেন, ‘আমাকেতো কেক খাওয়ালেন। আপনারা একটু চা খান। যা ঠাণ্ডা। ফিরতে কষ্ট হবে। একটু গরম গরম চা খেয়ে যান।’ ‘পরে একদিন চা খেয়ে যাওয়ার’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে কমিশনের প্রতিনিধিরা জানান, বয়স্ক ভোটারদের উৎসাহ জোগাতে নির্বাচন কমিশন নানা কর্মসূচি করে। ছাপিয়া বিবির জন্মদিন জানার পরই তা ছোটখাট করেই পালনের চটজলদি সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

এদিকে শুনানিতে ডাক পাওয়া ৮৫ বছরের ঊর্ধে যাদের বয়স, তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে শুনানি গ্রহণের কথা বলেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাস্তবে তা না হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় ক্ষোভ বাড়ছিল। শতায়ু ছাপিয়ার বাড়ি গিয়ে শুনানির মাধ্যমে কমিশন সেই ক্ষোভ খানিকটা প্রশমিত করল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!