- এই মুহূর্তে দে । শ
- ডিসেম্বর ৪, ২০২৪
অর্থ কমিশনের প্রতিনিধিদের সামনে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি
১০০ দিনের কাজের প্রকল্প থেকে আবাস যোজনার টাকা। বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেই খরচ বহম করতে হয়েছে রাজ্য সরকারকে। অর্থ কমিশনের প্রতিনিধিদের সামনে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে সরব হলেন রজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
মঙ্গলবার নবান্নে কেন্দ্রীয় অর্থ কমিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক হয়। ষোড়শ অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান অরবিন্দ পানগড়িয়ার নেতৃত্বে আসা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে নবান্নে এই বৈঠক হয়। এই রাজ্যের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ছাড়াও ১২ ক্যাবিনেট মন্ত্রী ছিলেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বৈঠক। ১০০ দিনের কাজের টাকা, আবাস যোজনার টাকা, স্বাস্থ্য মিশন, সর্বশিক্ষা মিশন, জলজীবন মিশনের টাকা আটকে রাখার কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বিভিন্ন প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার কথা বলেন। অর্থ কমিশনের প্রতিনিধিদের সামনে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, জিএসটি বাবদ রাজ্য থেকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব কর নিয়ে গেলেও বাংলার প্রাপ্য অর্থ দেয় না কেন্দ্রা সরকার।
মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যে অনেক দুর্নীতি রয়েছে। তা সত্ত্বেও তাদের টাকা দেওয়া হচ্ছে। অথচ বাংলার টাকা দেওয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন প্রকল্পে বাংলা প্রথম স্থান অধিকার করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে শংসাপত্র পেয়েছে। তবুও কেন বাংলাকে বঞ্চনা করা হচ্ছে, সেই ব্যাপারেও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া বাবদ রাজ্যের প্রাপ্য দ্রুত মেটানোর দাবি জানিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি।
পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এতদিন কেন্দ্র ও রাজ্যের শেয়ার ছিল ৪১:৫৯ শতাংশ। ষোড়শ অর্থ কমিশনের কাছে এই শেয়ার ৫০:৫০ করার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থ কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাদা বৈঠকে রাজ্যের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও ৫০ শতাংশের দাবি তুলেছেন। অর্থ কমিশনে প্রতিনিধিরা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে কেন্দ্রের বকেয়ার বিষয়টি তাদের এক্তিয়ারভুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ কমিশনের প্রতিনিধিরা।
দুপুরে রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিকেলে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থ কমিশনের প্রতিনিধিরা। এই বৈঠকে হাজির ছিলেন সিপিএমের মহম্মদ সেলিম, বিজেপির শংকর ঘোষ। তাঁরাও করের অর্থের ৪১ শতাংশের বদলে ৫০ শতাংশ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
❤ Support Us






