Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • আগস্ট ২৯, ২০২৩

আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস ও রাজ্য সংগীতের প্রস্তাব পেশ হবে : মুখ্যমন্ত্রী

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস ও রাজ্য সংগীতের প্রস্তাব পেশ হবে : মুখ্যমন্ত্রী

নবান্ন সভাঘরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস-এর তারিখ ও রাজ্যের সংগীত নির্বাচন নিয়ে ওপেন ফোরাম হল। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনেরা, সাংবাদিক,রাজনৈতিক দলোর নেতা, অভিনেতা,অভিনেত্রীরা এই ওপেন ফোরামে যোগ দেন।

এই ওপেন ফোরামে পশ্চিমবঙ্গ দিবস ও রাজ্য সংগীত ঠিক করার জন্য নানা প্রস্তাব আসে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বিধানসভায় এদিনের আলোচনা থেকে যে প্রস্তাব উঠে এসেছে তা পেশ করা হবে।”
বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই আলোচনা সভায় যে সমস্ত প্রস্তাব পশ্চিমবঙ্গ দিবসের তারিখ ঠিক করা ও রাজ্য সংগীত নির্বাচন নিয়ে যে প্রস্তাব এসেছে, তা আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বিধানসভায় পেশ হলে এই বিষয়ে আমি যা বলার বলব।
এদিন সংখ্যাগরিষ্ঠের মত ছিল পয়লা বৈশাখ দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসাবে নির্ধারণ করা হোক। পাশাপাশি এক প্রকার ঠিক হয়ে যায় বরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ” বাংলার মাটি বাংলার জল..” গানটিকে রাজ্য সংগীত হিসাবে নির্বাচন করা হল। মুযমন্ত্রী নিজে রাজ্য সংগীত হিসাবে “বাংলার মাটি বাংলার জল….” গানটি রাজ্য সংগীত হিসাবে সর্বসম্মতিক্রমে ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মন্ত্রী ও গায়ক ইন্দ্রনীল সেনকে গানটি গাইতে বলেন, সেই মতো নবান্ন সভাঘরে উপস্থিত সবাই গানটি সমবেত ভাবে গান।
গানটি শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন বাংলার মাটি গানটি লেখেন তখনকার পরিপ্রেক্ষিত এবং এখনকার পরিপ্রেক্ষিত এক নয়। রবীন্দ্রনাথ বাঙালিদের জন্য তখন গানটি লিখেছিলেন। এখন বাংলার সব রকমের মানুষ থাকেন। রবীন্দ্রনাথ এখন থাকলে অবশ্যই “বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন,   বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন–
এক হউক, এক হউক, এক হউক হে ভগবান॥” না লিখে নিশ্চই বাংলার প্রাণ, বাংলার মন লিখতেন। এই “বাঙালির” বদলে গানের শব্দটা বদলে কি “বাংলার” করা যায়? তখন সভাকক্ষে উপস্থিত অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাব সমর্থন করেন। তবে এসইউসিআই নেতা অমিতাভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “দিদি, গানটা যেহেতু রবীন্দ্রনাথের তাই এই গানে ব্যবহৃত শব্দ বদল করলে তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। তাই ভালো কাজে বিতর্ক না রেখে আর একটু সময় নিয়ে বিষয়টি ঠিক করা হোক।”
তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নলেন, “ঠিক আছে আজ কোনও কিছুই ঠিক হচ্ছে না। আজকের আলোচনার যে সারবস্তু তা আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বিধানসভায় প্রস্তাবাকারে পেশ হবে। তারপর পশ্চিমবঙ্গ দিবসের তারিখ ও রাজ্য সংগীত হিসাবে গান নির্বাচিত হবে।”
এদিনের এই আলোচনায় চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ, চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন, পুরাণবিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক প্রচেত গুপ্ত, সিপিআইএমএল (লিবারেশন) নেতা কার্তিক পাল সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। তবে এই বৈঠকে বামফ্রন্ট, কংগ্রেস,বিজেপি উপস্থিত ঋিলেন না।
বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস ঘোষণা ও রাজভবনে ২০ জুন উদযাপনের সার্বিক বিরোধীতা হয়। সিপিআইএম (লিবারেশন) নেতা কার্তিক পাল বলেন, “উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবেই ওরা ২০ জুন দিনটি ঠিক করেছে। এই দিনটিকে খারিজ করার জন্য দ্রুত পশ্চিমবঙ্গ দিবস ঘোষণা করতে হবে। সেদিক থেকে মাননীয়া যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা সঠিক সিদ্ধান্ত। এই বৈঠকে যারা আসেননি,তাঁরা ঠিক কাজ করেননি।”


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!